‘২০-২৫ কোটি টাকা খালের বর্জ্য অপসারণে খরচ হচ্ছে ’ নিজস্ব প্রতিবেদক, নতুন খবর |

 

 

ওয়াসার কাছ থেকে দায়িত্ব বুঝে পাওয়ার পর খালের বর্জ্য অপসারণে কাজ করছে ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশন (ডিএসসিসি)। এতে ২০ থেকে ২৫ কোটি টাকা খরচ হবে বলে জানিয়েছেন ডিএসসিসি মেয়র শেখ ফজলে নূর তাপস। পাশাপাশি জলাবদ্ধতার দূরীকরণে এসব অবকাঠামো উন্নয়নে আরও ১০০ কোটি টাকার মতো খরচ হবে।

বুধবার দুপুরে রাজধানীর মতিঝিলে ‘মতিঝিল পার্ক’ এর উদ্বোধনের পর সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে মেয়র একথা জানান।

মেয়র তাপস বলেন, ‘জলাবদ্ধতার দূরীকরণে এসব অবকাঠামো উন্নয়নে ১০০ কোটি টাকার মতো এবং বর্জ্য অপসারণে ২০-২৫ কোটি টাকা ব্যয় হবে। এই পুরো খরচ আমরা নিজস্ব অর্থায়ন হতেই ব্যয় করব।’

মেয়র বলেন, ‘গত বছর যেসব জায়গায় জলাবদ্ধতা হয়েছিল, সেসব জায়গায় আমরা কিছু অবকাঠামো উন্নয়নে হাত দিয়েছি এবং তার নিজস্ব অর্থায়নেই বাস্তবায়ন করছি। আপনারা লক্ষ্য করেছেন যে, এ পর্যন্ত আমরা যত কার্যক্রম বাস্তবায়ন করেছি, তা নিজস্ব অর্থায়নে করেছি এবং আগামী মার্চ পর্যন্ত যে কার্যক্রমগুলো আমরা করব বলে পরিকল্পনা নিয়েছি, সেটাও পুরোটাই নিজ অর্থায়নে বাস্তবায়ন করা হবে।‘

এ সময় সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে ব্যারিস্টার তাপস বলেন, ‘খালগুলোকে পূর্বের অবস্থায় ফিরিয়ে নিয়ে যেতে আমরা এরই মাঝে একটি প্রকল্প প্রণয়ন করে তা স্থানীয় সরকার বিভাগে পাঠিয়েছি। প্রায় এক হাজার কোটি টাকার কাছাকাছি এ প্রকল্পের আওতায় আমরা খালগুলোর পাশে সাইকেল লেন, ওয়াক ওয়ে এবং নান্দনিক পরিবেশ সৃষ্টি করব। সবকিছু মিলিয়ে এগুলো আবার যেন দখলের পাঁয়তারা না থাকে এবং জনগণ যেন একটি মানসম্পন্নন জীবন যাপন করতে পারে সে বিষয়গুলো বিবেচনায় রেখে আমরা প্রকল্প প্রণয়ন করেছি। আমরা আশাবাদী যে, আগামী সেপ্টেম্বরের মাঝামাঝিও যদি এই প্রকল্পটা পাস হয়, আমরা যদি আগামী বর্ষা মৌসুমের পরে সেপ্টেম্বর নাগাদ কাজ শুরু করতে পারি, তাহলে আমরা দীর্ঘমেয়াদি কার্যক্রম সম্পন্ন করতে পারব।’

এর আগে তিনি জিরানী খালের জোর ভিটা পয়েন্ট, কদমতলী ব্রিজ সংলগ্ন উচ্ছেদ অভিযান ও মান্ডা ব্রিজ সংলগ্ন উচ্ছেদ অভিযান পরিদর্শন করেন। নবনির্মিত যাত্রাবাড়ী ফুটওভার ব্রিজ, শাখারী বাজার ফুটওভার ব্রিজ ও নয়া বাজার ফুটওভার ব্রিজেরও উদ্বোধন করেন দক্ষিণ সিটি মেয়র।

এ সময় অন্যান্যের মধ্যে ঢাকা-৭ আসনের সংসদ সদস্য হাজী মো. সেলিম, ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের প্রধান বর্জ্য ব্যবস্থাপনা কর্মকর্তা এয়ার কমডোর মো. বদরুল আমিন, ঢাকা মহানগর দক্ষিণ আওয়ামী লীগের সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা আবু আহমেদ মান্নাফি, প্রধান প্রকৌশলী রেজাউর রহমান, সচিব আকরামুজ্জামান, প্রধান সম্পত্তি কর্মকর্তা রাসেল সাবরিন, প্রদান রাজস্ব কর্মকর্তা আরিফুল হকসহ ডিএসসিসি’র ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাবৃন্দ এবং সংশ্লিষ্ট স্থানীয় কাউন্সিলররা উপস্থিত ছিলেন।

নতুন খবর//তুম

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *