সোনাক্ষী এখন ১৫০০ কোটির ক্লাবে , বিনোদন ডেস্ক , ক্রীড়া ডেস্ক, নতুন খবর

দশের দশকের পর বলিউডে পা রেখেছেন এমন অভিনেত্রীদের মধ্যে প্রথম ১৫০০ কোটি রুপির ক্লাবে ঢুকেছেন সোনাক্ষি সিনহা। ক্যারিয়ার শুরুর পর থেকে একের পর এক ব্যবসা সফল সিনেমা করেছেন এই অভিনেত্রী। বলিউডে তৃতীয় অভিনেত্রী হিসেবে এই ক্লাবে ঢোকার কৃতিত্ব তার।

এরই ধারাবাহিকতায় ২০১০ সালের পর বলিউডে কাজ শুরু করেছেন এমন সবাইকেই আয়ের দিক থেকে পেছনে ফেলেছেন সোনাক্ষি।

সম্প্রতি ভারতের বলিউড লাইফ এ তথ্য প্রকাশ করেছে। বলিউডে তৃতীয় অভিনেত্রী হিসেবে এ কৃতিত্ব তার। একই সঙ্গে বক্স অফিসে বড় দান মেরেছে এমন কয়েকটি সিনেমার তালিকাও দিয়েছে বলিউড লাইফ। নিজের এই অর্জনের কথা জানিয়ে একটি টুইটও করেছেন সোনাক্ষি।

লিখেছেন, প্রকৃতি আমাকে একটি বিষয়ে দক্ষতা দিয়েছে, আমি আমার মস্তিষ্ক ও হৃদয় দিয়ে এ দক্ষতার ব্যবহার করি। দিনের পর দিন, রাতের পর রাত, আমি আগের দিনের চেয়ে নিজেকে আরও ভাল করে নিতে কাজ করি। বলিউড লাইফের তথ্যে দেখা যায়, ২০১০ সালে বলিউড সুপারস্টার সালমান খানের ‘দাবাং’ দিয়ে বলিউডে ক্যারিয়ার শুরু করেন সোনাক্ষি।

ক্যারিয়ারের প্রথম সিনেমাটি আয় করে ১৪১ কোটি রুপি। নিজের দক্ষতা দেখিয়েছেন পরের সিনেমা গুলোতেও। সোনাক্ষির ক্যারিয়ারের প্রথম পাঁচটি সিনেমার চারটির আয় শত কোটি রুপি ছাড়িয়ে যায়। যা কিনা মাত্র ২ বছরের মধ্যে। আয়ের দিক লক্ষ্য করলেই বুঝা যায় কতটা সফল সোনাক্ষি। সোনাক্ষির ক্যারিয়ারের দ্বিতীয় সিনেমা অক্ষয় কুমারের সঙ্গে ‘রাউডি রাথোর’।

ওই সিনেমা আয় করে ১৩৩ কোটি রুপি। এরপর ২০১২ সালে মুক্তি পাওয়া ‘সন অব সর্দার’। সিনেমাটি আয় করে ১০৫ কোটি রুপি। একই বছরে ‘দাবাং ২’ আয় করে ১৫৫ কোটি রুপি। ২০১৪ সালে ‘হলিডে’ আয় করে ১১২ কোটি রুপি। এরপর ২০১৯ সালে ‘মিশন মঙ্গল’ বক্স হিসেবে সুপার হিট হয়। এ সিনেমাটি আয় করে ২০৮ কোটি রুপি।

সোনাক্ষী এখন ১৫০০ কোটির ক্লাবে , বিনোদন ডেস্ক , ক্রীড়া ডেস্ক, নতুন খবন

দশের দশকের পর বলিউডে পা রেখেছেন এমন অভিনেত্রীদের মধ্যে প্রথম ১৫০০ কোটি রুপির ক্লাবে ঢুকেছেন সোনাক্ষি সিনহা। ক্যারিয়ার শুরুর পর থেকে একের পর এক ব্যবসা সফল সিনেমা করেছেন এই অভিনেত্রী। বলিউডে তৃতীয় অভিনেত্রী হিসেবে এই ক্লাবে ঢোকার কৃতিত্ব তার।

এরই ধারাবাহিকতায় ২০১০ সালের পর বলিউডে কাজ শুরু করেছেন এমন সবাইকেই আয়ের দিক থেকে পেছনে ফেলেছেন সোনাক্ষি।

সম্প্রতি ভারতের বলিউড লাইফ এ তথ্য প্রকাশ করেছে। বলিউডে তৃতীয় অভিনেত্রী হিসেবে এ কৃতিত্ব তার। একই সঙ্গে বক্স অফিসে বড় দান মেরেছে এমন কয়েকটি সিনেমার তালিকাও দিয়েছে বলিউড লাইফ। নিজের এই অর্জনের কথা জানিয়ে একটি টুইটও করেছেন সোনাক্ষি।

লিখেছেন, প্রকৃতি আমাকে একটি বিষয়ে দক্ষতা দিয়েছে, আমি আমার মস্তিষ্ক ও হৃদয় দিয়ে এ দক্ষতার ব্যবহার করি। দিনের পর দিন, রাতের পর রাত, আমি আগের দিনের চেয়ে নিজেকে আরও ভাল করে নিতে কাজ করি। বলিউড লাইফের তথ্যে দেখা যায়, ২০১০ সালে বলিউড সুপারস্টার সালমান খানের ‘দাবাং’ দিয়ে বলিউডে ক্যারিয়ার শুরু করেন সোনাক্ষি।

ক্যারিয়ারের প্রথম সিনেমাটি আয় করে ১৪১ কোটি রুপি। নিজের দক্ষতা দেখিয়েছেন পরের সিনেমা গুলোতেও। সোনাক্ষির ক্যারিয়ারের প্রথম পাঁচটি সিনেমার চারটির আয় শত কোটি রুপি ছাড়িয়ে যায়। যা কিনা মাত্র ২ বছরের মধ্যে। আয়ের দিক লক্ষ্য করলেই বুঝা যায় কতটা সফল সোনাক্ষি। সোনাক্ষির ক্যারিয়ারের দ্বিতীয় সিনেমা অক্ষয় কুমারের সঙ্গে ‘রাউডি রাথোর’।

ওই সিনেমা আয় করে ১৩৩ কোটি রুপি। এরপর ২০১২ সালে মুক্তি পাওয়া ‘সন অব সর্দার’। সিনেমাটি আয় করে ১০৫ কোটি রুপি। একই বছরে ‘দাবাং ২’ আয় করে ১৫৫ কোটি রুপি। ২০১৪ সালে ‘হলিডে’ আয় করে ১১২ কোটি রুপি। এরপর ২০১৯ সালে ‘মিশন মঙ্গল’ বক্স হিসেবে সুপার হিট হয়। এ সিনেমাটি আয় করে ২০৮ কোটি রুপি।

সোনাক্ষী এখন ১৫০০ কোটির ক্লাবে , বিনোদন ডেস্ক , ক্রীড়া ডেস্ক, নতুন খবন

দশের দশকের পর বলিউডে পা রেখেছেন এমন অভিনেত্রীদের মধ্যে প্রথম ১৫০০ কোটি রুপির ক্লাবে ঢুকেছেন সোনাক্ষি সিনহা। ক্যারিয়ার শুরুর পর থেকে একের পর এক ব্যবসা সফল সিনেমা করেছেন এই অভিনেত্রী। বলিউডে তৃতীয় অভিনেত্রী হিসেবে এই ক্লাবে ঢোকার কৃতিত্ব তার।

এরই ধারাবাহিকতায় ২০১০ সালের পর বলিউডে কাজ শুরু করেছেন এমন সবাইকেই আয়ের দিক থেকে পেছনে ফেলেছেন সোনাক্ষি।

সম্প্রতি ভারতের বলিউড লাইফ এ তথ্য প্রকাশ করেছে। বলিউডে তৃতীয় অভিনেত্রী হিসেবে এ কৃতিত্ব তার। একই সঙ্গে বক্স অফিসে বড় দান মেরেছে এমন কয়েকটি সিনেমার তালিকাও দিয়েছে বলিউড লাইফ। নিজের এই অর্জনের কথা জানিয়ে একটি টুইটও করেছেন সোনাক্ষি।

লিখেছেন, প্রকৃতি আমাকে একটি বিষয়ে দক্ষতা দিয়েছে, আমি আমার মস্তিষ্ক ও হৃদয় দিয়ে এ দক্ষতার ব্যবহার করি। দিনের পর দিন, রাতের পর রাত, আমি আগের দিনের চেয়ে নিজেকে আরও ভাল করে নিতে কাজ করি। বলিউড লাইফের তথ্যে দেখা যায়, ২০১০ সালে বলিউড সুপারস্টার সালমান খানের ‘দাবাং’ দিয়ে বলিউডে ক্যারিয়ার শুরু করেন সোনাক্ষি।

ক্যারিয়ারের প্রথম সিনেমাটি আয় করে ১৪১ কোটি রুপি। নিজের দক্ষতা দেখিয়েছেন পরের সিনেমা গুলোতেও। সোনাক্ষির ক্যারিয়ারের প্রথম পাঁচটি সিনেমার চারটির আয় শত কোটি রুপি ছাড়িয়ে যায়। যা কিনা মাত্র ২ বছরের মধ্যে। আয়ের দিক লক্ষ্য করলেই বুঝা যায় কতটা সফল সোনাক্ষি। সোনাক্ষির ক্যারিয়ারের দ্বিতীয় সিনেমা অক্ষয় কুমারের সঙ্গে ‘রাউডি রাথোর’।

ওই সিনেমা আয় করে ১৩৩ কোটি রুপি। এরপর ২০১২ সালে মুক্তি পাওয়া ‘সন অব সর্দার’। সিনেমাটি আয় করে ১০৫ কোটি রুপি। একই বছরে ‘দাবাং ২’ আয় করে ১৫৫ কোটি রুপি। ২০১৪ সালে ‘হলিডে’ আয় করে ১১২ কোটি রুপি। এরপর ২০১৯ সালে ‘মিশন মঙ্গল’ বক্স হিসেবে সুপার হিট হয়। এ সিনেমাটি আয় করে ২০৮ কোটি রুপি।

সোনাক্ষী এখন ১৫০০ কোটির ক্লাবে , বিনোদন ডেস্ক , ক্রীড়া ডেস্ক, নতুন খবন

দশের দশকের পর বলিউডে পা রেখেছেন এমন অভিনেত্রীদের মধ্যে প্রথম ১৫০০ কোটি রুপির ক্লাবে ঢুকেছেন সোনাক্ষি সিনহা। ক্যারিয়ার শুরুর পর থেকে একের পর এক ব্যবসা সফল সিনেমা করেছেন এই অভিনেত্রী। বলিউডে তৃতীয় অভিনেত্রী হিসেবে এই ক্লাবে ঢোকার কৃতিত্ব তার।

এরই ধারাবাহিকতায় ২০১০ সালের পর বলিউডে কাজ শুরু করেছেন এমন সবাইকেই আয়ের দিক থেকে পেছনে ফেলেছেন সোনাক্ষি।

সম্প্রতি ভারতের বলিউড লাইফ এ তথ্য প্রকাশ করেছে। বলিউডে তৃতীয় অভিনেত্রী হিসেবে এ কৃতিত্ব তার। একই সঙ্গে বক্স অফিসে বড় দান মেরেছে এমন কয়েকটি সিনেমার তালিকাও দিয়েছে বলিউড লাইফ। নিজের এই অর্জনের কথা জানিয়ে একটি টুইটও করেছেন সোনাক্ষি।

লিখেছেন, প্রকৃতি আমাকে একটি বিষয়ে দক্ষতা দিয়েছে, আমি আমার মস্তিষ্ক ও হৃদয় দিয়ে এ দক্ষতার ব্যবহার করি। দিনের পর দিন, রাতের পর রাত, আমি আগের দিনের চেয়ে নিজেকে আরও ভাল করে নিতে কাজ করি। বলিউড লাইফের তথ্যে দেখা যায়, ২০১০ সালে বলিউড সুপারস্টার সালমান খানের ‘দাবাং’ দিয়ে বলিউডে ক্যারিয়ার শুরু করেন সোনাক্ষি।

ক্যারিয়ারের প্রথম সিনেমাটি আয় করে ১৪১ কোটি রুপি। নিজের দক্ষতা দেখিয়েছেন পরের সিনেমা গুলোতেও। সোনাক্ষির ক্যারিয়ারের প্রথম পাঁচটি সিনেমার চারটির আয় শত কোটি রুপি ছাড়িয়ে যায়। যা কিনা মাত্র ২ বছরের মধ্যে। আয়ের দিক লক্ষ্য করলেই বুঝা যায় কতটা সফল সোনাক্ষি। সোনাক্ষির ক্যারিয়ারের দ্বিতীয় সিনেমা অক্ষয় কুমারের সঙ্গে ‘রাউডি রাথোর’।

ওই সিনেমা আয় করে ১৩৩ কোটি রুপি। এরপর ২০১২ সালে মুক্তি পাওয়া ‘সন অব সর্দার’। সিনেমাটি আয় করে ১০৫ কোটি রুপি। একই বছরে ‘দাবাং ২’ আয় করে ১৫৫ কোটি রুপি। ২০১৪ সালে ‘হলিডে’ আয় করে ১১২ কোটি রুপি। এরপর ২০১৯ সালে ‘মিশন মঙ্গল’ বক্স হিসেবে সুপার হিট হয়। এ সিনেমাটি আয় করে ২০৮ কোটি রুপি।

সোনাক্ষী এখন ১৫০০ কোটির ক্লাবে , বিনোদন ডেস্ক , ক্রীড়া ডেস্ক, নতুন খবন

দশের দশকের পর বলিউডে পা রেখেছেন এমন অভিনেত্রীদের মধ্যে প্রথম ১৫০০ কোটি রুপির ক্লাবে ঢুকেছেন সোনাক্ষি সিনহা। ক্যারিয়ার শুরুর পর থেকে একের পর এক ব্যবসা সফল সিনেমা করেছেন এই অভিনেত্রী। বলিউডে তৃতীয় অভিনেত্রী হিসেবে এই ক্লাবে ঢোকার কৃতিত্ব তার।

এরই ধারাবাহিকতায় ২০১০ সালের পর বলিউডে কাজ শুরু করেছেন এমন সবাইকেই আয়ের দিক থেকে পেছনে ফেলেছেন সোনাক্ষি।

সম্প্রতি ভারতের বলিউড লাইফ এ তথ্য প্রকাশ করেছে। বলিউডে তৃতীয় অভিনেত্রী হিসেবে এ কৃতিত্ব তার। একই সঙ্গে বক্স অফিসে বড় দান মেরেছে এমন কয়েকটি সিনেমার তালিকাও দিয়েছে বলিউড লাইফ। নিজের এই অর্জনের কথা জানিয়ে একটি টুইটও করেছেন সোনাক্ষি।

লিখেছেন, প্রকৃতি আমাকে একটি বিষয়ে দক্ষতা দিয়েছে, আমি আমার মস্তিষ্ক ও হৃদয় দিয়ে এ দক্ষতার ব্যবহার করি। দিনের পর দিন, রাতের পর রাত, আমি আগের দিনের চেয়ে নিজেকে আরও ভাল করে নিতে কাজ করি। বলিউড লাইফের তথ্যে দেখা যায়, ২০১০ সালে বলিউড সুপারস্টার সালমান খানের ‘দাবাং’ দিয়ে বলিউডে ক্যারিয়ার শুরু করেন সোনাক্ষি।

ক্যারিয়ারের প্রথম সিনেমাটি আয় করে ১৪১ কোটি রুপি। নিজের দক্ষতা দেখিয়েছেন পরের সিনেমা গুলোতেও। সোনাক্ষির ক্যারিয়ারের প্রথম পাঁচটি সিনেমার চারটির আয় শত কোটি রুপি ছাড়িয়ে যায়। যা কিনা মাত্র ২ বছরের মধ্যে। আয়ের দিক লক্ষ্য করলেই বুঝা যায় কতটা সফল সোনাক্ষি। সোনাক্ষির ক্যারিয়ারের দ্বিতীয় সিনেমা অক্ষয় কুমারের সঙ্গে ‘রাউডি রাথোর’।

ওই সিনেমা আয় করে ১৩৩ কোটি রুপি। এরপর ২০১২ সালে মুক্তি পাওয়া ‘সন অব সর্দার’। সিনেমাটি আয় করে ১০৫ কোটি রুপি। একই বছরে ‘দাবাং ২’ আয় করে ১৫৫ কোটি রুপি। ২০১৪ সালে ‘হলিডে’ আয় করে ১১২ কোটি রুপি। এরপর ২০১৯ সালে ‘মিশন মঙ্গল’ বক্স হিসেবে সুপার হিট হয়। এ সিনেমাটি আয় করে ২০৮ কোটি রুপি।

সোনাক্ষী এখন ১৫০০ কোটির ক্লাবে , বিনোদন ডেস্ক , ক্রীড়া ডেস্ক, নতুন খবন

দশের দশকের পর বলিউডে পা রেখেছেন এমন অভিনেত্রীদের মধ্যে প্রথম ১৫০০ কোটি রুপির ক্লাবে ঢুকেছেন সোনাক্ষি সিনহা। ক্যারিয়ার শুরুর পর থেকে একের পর এক ব্যবসা সফল সিনেমা করেছেন এই অভিনেত্রী। বলিউডে তৃতীয় অভিনেত্রী হিসেবে এই ক্লাবে ঢোকার কৃতিত্ব তার।

এরই ধারাবাহিকতায় ২০১০ সালের পর বলিউডে কাজ শুরু করেছেন এমন সবাইকেই আয়ের দিক থেকে পেছনে ফেলেছেন সোনাক্ষি।

সম্প্রতি ভারতের বলিউড লাইফ এ তথ্য প্রকাশ করেছে। বলিউডে তৃতীয় অভিনেত্রী হিসেবে এ কৃতিত্ব তার। একই সঙ্গে বক্স অফিসে বড় দান মেরেছে এমন কয়েকটি সিনেমার তালিকাও দিয়েছে বলিউড লাইফ। নিজের এই অর্জনের কথা জানিয়ে একটি টুইটও করেছেন সোনাক্ষি।

লিখেছেন, প্রকৃতি আমাকে একটি বিষয়ে দক্ষতা দিয়েছে, আমি আমার মস্তিষ্ক ও হৃদয় দিয়ে এ দক্ষতার ব্যবহার করি। দিনের পর দিন, রাতের পর রাত, আমি আগের দিনের চেয়ে নিজেকে আরও ভাল করে নিতে কাজ করি। বলিউড লাইফের তথ্যে দেখা যায়, ২০১০ সালে বলিউড সুপারস্টার সালমান খানের ‘দাবাং’ দিয়ে বলিউডে ক্যারিয়ার শুরু করেন সোনাক্ষি।

ক্যারিয়ারের প্রথম সিনেমাটি আয় করে ১৪১ কোটি রুপি। নিজের দক্ষতা দেখিয়েছেন পরের সিনেমা গুলোতেও। সোনাক্ষির ক্যারিয়ারের প্রথম পাঁচটি সিনেমার চারটির আয় শত কোটি রুপি ছাড়িয়ে যায়। যা কিনা মাত্র ২ বছরের মধ্যে। আয়ের দিক লক্ষ্য করলেই বুঝা যায় কতটা সফল সোনাক্ষি। সোনাক্ষির ক্যারিয়ারের দ্বিতীয় সিনেমা অক্ষয় কুমারের সঙ্গে ‘রাউডি রাথোর’।

ওই সিনেমা আয় করে ১৩৩ কোটি রুপি। এরপর ২০১২ সালে মুক্তি পাওয়া ‘সন অব সর্দার’। সিনেমাটি আয় করে ১০৫ কোটি রুপি। একই বছরে ‘দাবাং ২’ আয় করে ১৫৫ কোটি রুপি। ২০১৪ সালে ‘হলিডে’ আয় করে ১১২ কোটি রুপি। এরপর ২০১৯ সালে ‘মিশন মঙ্গল’ বক্স হিসেবে সুপার হিট হয়। এ সিনেমাটি আয় করে ২০৮ কোটি রুপি।

সোনাক্ষী এখন ১৫০০ কোটির ক্লাবে , বিনোদন ডেস্ক , ক্রীড়া ডেস্ক, নতুন খবন

দশের দশকের পর বলিউডে পা রেখেছেন এমন অভিনেত্রীদের মধ্যে প্রথম ১৫০০ কোটি রুপির ক্লাবে ঢুকেছেন সোনাক্ষি সিনহা। ক্যারিয়ার শুরুর পর থেকে একের পর এক ব্যবসা সফল সিনেমা করেছেন এই অভিনেত্রী। বলিউডে তৃতীয় অভিনেত্রী হিসেবে এই ক্লাবে ঢোকার কৃতিত্ব তার।

এরই ধারাবাহিকতায় ২০১০ সালের পর বলিউডে কাজ শুরু করেছেন এমন সবাইকেই আয়ের দিক থেকে পেছনে ফেলেছেন সোনাক্ষি।

সম্প্রতি ভারতের বলিউড লাইফ এ তথ্য প্রকাশ করেছে। বলিউডে তৃতীয় অভিনেত্রী হিসেবে এ কৃতিত্ব তার। একই সঙ্গে বক্স অফিসে বড় দান মেরেছে এমন কয়েকটি সিনেমার তালিকাও দিয়েছে বলিউড লাইফ। নিজের এই অর্জনের কথা জানিয়ে একটি টুইটও করেছেন সোনাক্ষি।

লিখেছেন, প্রকৃতি আমাকে একটি বিষয়ে দক্ষতা দিয়েছে, আমি আমার মস্তিষ্ক ও হৃদয় দিয়ে এ দক্ষতার ব্যবহার করি। দিনের পর দিন, রাতের পর রাত, আমি আগের দিনের চেয়ে নিজেকে আরও ভাল করে নিতে কাজ করি। বলিউড লাইফের তথ্যে দেখা যায়, ২০১০ সালে বলিউড সুপারস্টার সালমান খানের ‘দাবাং’ দিয়ে বলিউডে ক্যারিয়ার শুরু করেন সোনাক্ষি।

ক্যারিয়ারের প্রথম সিনেমাটি আয় করে ১৪১ কোটি রুপি। নিজের দক্ষতা দেখিয়েছেন পরের সিনেমা গুলোতেও। সোনাক্ষির ক্যারিয়ারের প্রথম পাঁচটি সিনেমার চারটির আয় শত কোটি রুপি ছাড়িয়ে যায়। যা কিনা মাত্র ২ বছরের মধ্যে। আয়ের দিক লক্ষ্য করলেই বুঝা যায় কতটা সফল সোনাক্ষি। সোনাক্ষির ক্যারিয়ারের দ্বিতীয় সিনেমা অক্ষয় কুমারের সঙ্গে ‘রাউডি রাথোর’।

ওই সিনেমা আয় করে ১৩৩ কোটি রুপি। এরপর ২০১২ সালে মুক্তি পাওয়া ‘সন অব সর্দার’। সিনেমাটি আয় করে ১০৫ কোটি রুপি। একই বছরে ‘দাবাং ২’ আয় করে ১৫৫ কোটি রুপি। ২০১৪ সালে ‘হলিডে’ আয় করে ১১২ কোটি রুপি। এরপর ২০১৯ সালে ‘মিশন মঙ্গল’ বক্স হিসেবে সুপার হিট হয়। এ সিনেমাটি আয় করে ২০৮ কোটি রুপি।

সোনাক্ষী এখন ১৫০০ কোটির ক্লাবে , বিনোদন ডেস্ক , ক্রীড়া ডেস্ক, নতুন খবন

দশের দশকের পর বলিউডে পা রেখেছেন এমন অভিনেত্রীদের মধ্যে প্রথম ১৫০০ কোটি রুপির ক্লাবে ঢুকেছেন সোনাক্ষি সিনহা। ক্যারিয়ার শুরুর পর থেকে একের পর এক ব্যবসা সফল সিনেমা করেছেন এই অভিনেত্রী। বলিউডে তৃতীয় অভিনেত্রী হিসেবে এই ক্লাবে ঢোকার কৃতিত্ব তার।

এরই ধারাবাহিকতায় ২০১০ সালের পর বলিউডে কাজ শুরু করেছেন এমন সবাইকেই আয়ের দিক থেকে পেছনে ফেলেছেন সোনাক্ষি।

সম্প্রতি ভারতের বলিউড লাইফ এ তথ্য প্রকাশ করেছে। বলিউডে তৃতীয় অভিনেত্রী হিসেবে এ কৃতিত্ব তার। একই সঙ্গে বক্স অফিসে বড় দান মেরেছে এমন কয়েকটি সিনেমার তালিকাও দিয়েছে বলিউড লাইফ। নিজের এই অর্জনের কথা জানিয়ে একটি টুইটও করেছেন সোনাক্ষি।

লিখেছেন, প্রকৃতি আমাকে একটি বিষয়ে দক্ষতা দিয়েছে, আমি আমার মস্তিষ্ক ও হৃদয় দিয়ে এ দক্ষতার ব্যবহার করি। দিনের পর দিন, রাতের পর রাত, আমি আগের দিনের চেয়ে নিজেকে আরও ভাল করে নিতে কাজ করি। বলিউড লাইফের তথ্যে দেখা যায়, ২০১০ সালে বলিউড সুপারস্টার সালমান খানের ‘দাবাং’ দিয়ে বলিউডে ক্যারিয়ার শুরু করেন সোনাক্ষি।

ক্যারিয়ারের প্রথম সিনেমাটি আয় করে ১৪১ কোটি রুপি। নিজের দক্ষতা দেখিয়েছেন পরের সিনেমা গুলোতেও। সোনাক্ষির ক্যারিয়ারের প্রথম পাঁচটি সিনেমার চারটির আয় শত কোটি রুপি ছাড়িয়ে যায়। যা কিনা মাত্র ২ বছরের মধ্যে। আয়ের দিক লক্ষ্য করলেই বুঝা যায় কতটা সফল সোনাক্ষি। সোনাক্ষির ক্যারিয়ারের দ্বিতীয় সিনেমা অক্ষয় কুমারের সঙ্গে ‘রাউডি রাথোর’।

ওই সিনেমা আয় করে ১৩৩ কোটি রুপি। এরপর ২০১২ সালে মুক্তি পাওয়া ‘সন অব সর্দার’। সিনেমাটি আয় করে ১০৫ কোটি রুপি। একই বছরে ‘দাবাং ২’ আয় করে ১৫৫ কোটি রুপি। ২০১৪ সালে ‘হলিডে’ আয় করে ১১২ কোটি রুপি। এরপর ২০১৯ সালে ‘মিশন মঙ্গল’ বক্স হিসেবে সুপার হিট হয়। এ সিনেমাটি আয় করে ২০৮ কোটি রুপি।

সোনাক্ষী এখন ১৫০০ কোটির ক্লাবে , বিনোদন ডেস্ক , ক্রীড়া ডেস্ক, নতুন খবন

দশের দশকের পর বলিউডে পা রেখেছেন এমন অভিনেত্রীদের মধ্যে প্রথম ১৫০০ কোটি রুপির ক্লাবে ঢুকেছেন সোনাক্ষি সিনহা। ক্যারিয়ার শুরুর পর থেকে একের পর এক ব্যবসা সফল সিনেমা করেছেন এই অভিনেত্রী। বলিউডে তৃতীয় অভিনেত্রী হিসেবে এই ক্লাবে ঢোকার কৃতিত্ব তার।

এরই ধারাবাহিকতায় ২০১০ সালের পর বলিউডে কাজ শুরু করেছেন এমন সবাইকেই আয়ের দিক থেকে পেছনে ফেলেছেন সোনাক্ষি।

সম্প্রতি ভারতের বলিউড লাইফ এ তথ্য প্রকাশ করেছে। বলিউডে তৃতীয় অভিনেত্রী হিসেবে এ কৃতিত্ব তার। একই সঙ্গে বক্স অফিসে বড় দান মেরেছে এমন কয়েকটি সিনেমার তালিকাও দিয়েছে বলিউড লাইফ। নিজের এই অর্জনের কথা জানিয়ে একটি টুইটও করেছেন সোনাক্ষি।

লিখেছেন, প্রকৃতি আমাকে একটি বিষয়ে দক্ষতা দিয়েছে, আমি আমার মস্তিষ্ক ও হৃদয় দিয়ে এ দক্ষতার ব্যবহার করি। দিনের পর দিন, রাতের পর রাত, আমি আগের দিনের চেয়ে নিজেকে আরও ভাল করে নিতে কাজ করি। বলিউড লাইফের তথ্যে দেখা যায়, ২০১০ সালে বলিউড সুপারস্টার সালমান খানের ‘দাবাং’ দিয়ে বলিউডে ক্যারিয়ার শুরু করেন সোনাক্ষি।

ক্যারিয়ারের প্রথম সিনেমাটি আয় করে ১৪১ কোটি রুপি। নিজের দক্ষতা দেখিয়েছেন পরের সিনেমা গুলোতেও। সোনাক্ষির ক্যারিয়ারের প্রথম পাঁচটি সিনেমার চারটির আয় শত কোটি রুপি ছাড়িয়ে যায়। যা কিনা মাত্র ২ বছরের মধ্যে। আয়ের দিক লক্ষ্য করলেই বুঝা যায় কতটা সফল সোনাক্ষি। সোনাক্ষির ক্যারিয়ারের দ্বিতীয় সিনেমা অক্ষয় কুমারের সঙ্গে ‘রাউডি রাথোর’।

ওই সিনেমা আয় করে ১৩৩ কোটি রুপি। এরপর ২০১২ সালে মুক্তি পাওয়া ‘সন অব সর্দার’। সিনেমাটি আয় করে ১০৫ কোটি রুপি। একই বছরে ‘দাবাং ২’ আয় করে ১৫৫ কোটি রুপি। ২০১৪ সালে ‘হলিডে’ আয় করে ১১২ কোটি রুপি। এরপর ২০১৯ সালে ‘মিশন মঙ্গল’ বক্স হিসেবে সুপার হিট হয়। এ সিনেমাটি আয় করে ২০৮ কোটি রুপি।

সোনাক্ষী এখন ১৫০০ কোটির ক্লাবে , বিনোদন ডেস্ক , ক্রীড়া ডেস্ক, নতুন খবন

দশের দশকের পর বলিউডে পা রেখেছেন এমন অভিনেত্রীদের মধ্যে প্রথম ১৫০০ কোটি রুপির ক্লাবে ঢুকেছেন সোনাক্ষি সিনহা। ক্যারিয়ার শুরুর পর থেকে একের পর এক ব্যবসা সফল সিনেমা করেছেন এই অভিনেত্রী। বলিউডে তৃতীয় অভিনেত্রী হিসেবে এই ক্লাবে ঢোকার কৃতিত্ব তার।

এরই ধারাবাহিকতায় ২০১০ সালের পর বলিউডে কাজ শুরু করেছেন এমন সবাইকেই আয়ের দিক থেকে পেছনে ফেলেছেন সোনাক্ষি।

সম্প্রতি ভারতের বলিউড লাইফ এ তথ্য প্রকাশ করেছে। বলিউডে তৃতীয় অভিনেত্রী হিসেবে এ কৃতিত্ব তার। একই সঙ্গে বক্স অফিসে বড় দান মেরেছে এমন কয়েকটি সিনেমার তালিকাও দিয়েছে বলিউড লাইফ। নিজের এই অর্জনের কথা জানিয়ে একটি টুইটও করেছেন সোনাক্ষি।

লিখেছেন, প্রকৃতি আমাকে একটি বিষয়ে দক্ষতা দিয়েছে, আমি আমার মস্তিষ্ক ও হৃদয় দিয়ে এ দক্ষতার ব্যবহার করি। দিনের পর দিন, রাতের পর রাত, আমি আগের দিনের চেয়ে নিজেকে আরও ভাল করে নিতে কাজ করি। বলিউড লাইফের তথ্যে দেখা যায়, ২০১০ সালে বলিউড সুপারস্টার সালমান খানের ‘দাবাং’ দিয়ে বলিউডে ক্যারিয়ার শুরু করেন সোনাক্ষি।

ক্যারিয়ারের প্রথম সিনেমাটি আয় করে ১৪১ কোটি রুপি। নিজের দক্ষতা দেখিয়েছেন পরের সিনেমা গুলোতেও। সোনাক্ষির ক্যারিয়ারের প্রথম পাঁচটি সিনেমার চারটির আয় শত কোটি রুপি ছাড়িয়ে যায়। যা কিনা মাত্র ২ বছরের মধ্যে। আয়ের দিক লক্ষ্য করলেই বুঝা যায় কতটা সফল সোনাক্ষি। সোনাক্ষির ক্যারিয়ারের দ্বিতীয় সিনেমা অক্ষয় কুমারের সঙ্গে ‘রাউডি রাথোর’।

ওই সিনেমা আয় করে ১৩৩ কোটি রুপি। এরপর ২০১২ সালে মুক্তি পাওয়া ‘সন অব সর্দার’। সিনেমাটি আয় করে ১০৫ কোটি রুপি। একই বছরে ‘দাবাং ২’ আয় করে ১৫৫ কোটি রুপি। ২০১৪ সালে ‘হলিডে’ আয় করে ১১২ কোটি রুপি। এরপর ২০১৯ সালে ‘মিশন মঙ্গল’ বক্স হিসেবে সুপার হিট হয়। এ সিনেমাটি আয় করে ২০৮ কোটি রুপি।

সোনাক্ষী এখন ১৫০০ কোটির ক্লাবে , বিনোদন ডেস্ক , ক্রীড়া ডেস্ক, নতুন খবন

দশের দশকের পর বলিউডে পা রেখেছেন এমন অভিনেত্রীদের মধ্যে প্রথম ১৫০০ কোটি রুপির ক্লাবে ঢুকেছেন সোনাক্ষি সিনহা। ক্যারিয়ার শুরুর পর থেকে একের পর এক ব্যবসা সফল সিনেমা করেছেন এই অভিনেত্রী। বলিউডে তৃতীয় অভিনেত্রী হিসেবে এই ক্লাবে ঢোকার কৃতিত্ব তার।

এরই ধারাবাহিকতায় ২০১০ সালের পর বলিউডে কাজ শুরু করেছেন এমন সবাইকেই আয়ের দিক থেকে পেছনে ফেলেছেন সোনাক্ষি।

সম্প্রতি ভারতের বলিউড লাইফ এ তথ্য প্রকাশ করেছে। বলিউডে তৃতীয় অভিনেত্রী হিসেবে এ কৃতিত্ব তার। একই সঙ্গে বক্স অফিসে বড় দান মেরেছে এমন কয়েকটি সিনেমার তালিকাও দিয়েছে বলিউড লাইফ। নিজের এই অর্জনের কথা জানিয়ে একটি টুইটও করেছেন সোনাক্ষি।

লিখেছেন, প্রকৃতি আমাকে একটি বিষয়ে দক্ষতা দিয়েছে, আমি আমার মস্তিষ্ক ও হৃদয় দিয়ে এ দক্ষতার ব্যবহার করি। দিনের পর দিন, রাতের পর রাত, আমি আগের দিনের চেয়ে নিজেকে আরও ভাল করে নিতে কাজ করি। বলিউড লাইফের তথ্যে দেখা যায়, ২০১০ সালে বলিউড সুপারস্টার সালমান খানের ‘দাবাং’ দিয়ে বলিউডে ক্যারিয়ার শুরু করেন সোনাক্ষি।

ক্যারিয়ারের প্রথম সিনেমাটি আয় করে ১৪১ কোটি রুপি। নিজের দক্ষতা দেখিয়েছেন পরের সিনেমা গুলোতেও। সোনাক্ষির ক্যারিয়ারের প্রথম পাঁচটি সিনেমার চারটির আয় শত কোটি রুপি ছাড়িয়ে যায়। যা কিনা মাত্র ২ বছরের মধ্যে। আয়ের দিক লক্ষ্য করলেই বুঝা যায় কতটা সফল সোনাক্ষি। সোনাক্ষির ক্যারিয়ারের দ্বিতীয় সিনেমা অক্ষয় কুমারের সঙ্গে ‘রাউডি রাথোর’।

ওই সিনেমা আয় করে ১৩৩ কোটি রুপি। এরপর ২০১২ সালে মুক্তি পাওয়া ‘সন অব সর্দার’। সিনেমাটি আয় করে ১০৫ কোটি রুপি। একই বছরে ‘দাবাং ২’ আয় করে ১৫৫ কোটি রুপি। ২০১৪ সালে ‘হলিডে’ আয় করে ১১২ কোটি রুপি। এরপর ২০১৯ সালে ‘মিশন মঙ্গল’ বক্স হিসেবে সুপার হিট হয়। এ সিনেমাটি আয় করে ২০৮ কোটি রুপি।

সোনাক্ষী এখন ১৫০০ কোটির ক্লাবে , বিনোদন ডেস্ক , ক্রীড়া ডেস্ক, নতুন খবন

দশের দশকের পর বলিউডে পা রেখেছেন এমন অভিনেত্রীদের মধ্যে প্রথম ১৫০০ কোটি রুপির ক্লাবে ঢুকেছেন সোনাক্ষি সিনহা। ক্যারিয়ার শুরুর পর থেকে একের পর এক ব্যবসা সফল সিনেমা করেছেন এই অভিনেত্রী। বলিউডে তৃতীয় অভিনেত্রী হিসেবে এই ক্লাবে ঢোকার কৃতিত্ব তার।

এরই ধারাবাহিকতায় ২০১০ সালের পর বলিউডে কাজ শুরু করেছেন এমন সবাইকেই আয়ের দিক থেকে পেছনে ফেলেছেন সোনাক্ষি।

সম্প্রতি ভারতের বলিউড লাইফ এ তথ্য প্রকাশ করেছে। বলিউডে তৃতীয় অভিনেত্রী হিসেবে এ কৃতিত্ব তার। একই সঙ্গে বক্স অফিসে বড় দান মেরেছে এমন কয়েকটি সিনেমার তালিকাও দিয়েছে বলিউড লাইফ। নিজের এই অর্জনের কথা জানিয়ে একটি টুইটও করেছেন সোনাক্ষি।

লিখেছেন, প্রকৃতি আমাকে একটি বিষয়ে দক্ষতা দিয়েছে, আমি আমার মস্তিষ্ক ও হৃদয় দিয়ে এ দক্ষতার ব্যবহার করি। দিনের পর দিন, রাতের পর রাত, আমি আগের দিনের চেয়ে নিজেকে আরও ভাল করে নিতে কাজ করি। বলিউড লাইফের তথ্যে দেখা যায়, ২০১০ সালে বলিউড সুপারস্টার সালমান খানের ‘দাবাং’ দিয়ে বলিউডে ক্যারিয়ার শুরু করেন সোনাক্ষি।

ক্যারিয়ারের প্রথম সিনেমাটি আয় করে ১৪১ কোটি রুপি। নিজের দক্ষতা দেখিয়েছেন পরের সিনেমা গুলোতেও। সোনাক্ষির ক্যারিয়ারের প্রথম পাঁচটি সিনেমার চারটির আয় শত কোটি রুপি ছাড়িয়ে যায়। যা কিনা মাত্র ২ বছরের মধ্যে। আয়ের দিক লক্ষ্য করলেই বুঝা যায় কতটা সফল সোনাক্ষি। সোনাক্ষির ক্যারিয়ারের দ্বিতীয় সিনেমা অক্ষয় কুমারের সঙ্গে ‘রাউডি রাথোর’।

ওই সিনেমা আয় করে ১৩৩ কোটি রুপি। এরপর ২০১২ সালে মুক্তি পাওয়া ‘সন অব সর্দার’। সিনেমাটি আয় করে ১০৫ কোটি রুপি। একই বছরে ‘দাবাং ২’ আয় করে ১৫৫ কোটি রুপি। ২০১৪ সালে ‘হলিডে’ আয় করে ১১২ কোটি রুপি। এরপর ২০১৯ সালে ‘মিশন মঙ্গল’ বক্স হিসেবে সুপার হিট হয়। এ সিনেমাটি আয় করে ২০৮ কোটি রুপি।

সোনাক্ষী এখন ১৫০০ কোটির ক্লাবে , বিনোদন ডেস্ক , ক্রীড়া ডেস্ক, নতুন খবন

দশের দশকের পর বলিউডে পা রেখেছেন এমন অভিনেত্রীদের মধ্যে প্রথম ১৫০০ কোটি রুপির ক্লাবে ঢুকেছেন সোনাক্ষি সিনহা। ক্যারিয়ার শুরুর পর থেকে একের পর এক ব্যবসা সফল সিনেমা করেছেন এই অভিনেত্রী। বলিউডে তৃতীয় অভিনেত্রী হিসেবে এই ক্লাবে ঢোকার কৃতিত্ব তার।

এরই ধারাবাহিকতায় ২০১০ সালের পর বলিউডে কাজ শুরু করেছেন এমন সবাইকেই আয়ের দিক থেকে পেছনে ফেলেছেন সোনাক্ষি।

সম্প্রতি ভারতের বলিউড লাইফ এ তথ্য প্রকাশ করেছে। বলিউডে তৃতীয় অভিনেত্রী হিসেবে এ কৃতিত্ব তার। একই সঙ্গে বক্স অফিসে বড় দান মেরেছে এমন কয়েকটি সিনেমার তালিকাও দিয়েছে বলিউড লাইফ। নিজের এই অর্জনের কথা জানিয়ে একটি টুইটও করেছেন সোনাক্ষি।

লিখেছেন, প্রকৃতি আমাকে একটি বিষয়ে দক্ষতা দিয়েছে, আমি আমার মস্তিষ্ক ও হৃদয় দিয়ে এ দক্ষতার ব্যবহার করি। দিনের পর দিন, রাতের পর রাত, আমি আগের দিনের চেয়ে নিজেকে আরও ভাল করে নিতে কাজ করি। বলিউড লাইফের তথ্যে দেখা যায়, ২০১০ সালে বলিউড সুপারস্টার সালমান খানের ‘দাবাং’ দিয়ে বলিউডে ক্যারিয়ার শুরু করেন সোনাক্ষি।

ক্যারিয়ারের প্রথম সিনেমাটি আয় করে ১৪১ কোটি রুপি। নিজের দক্ষতা দেখিয়েছেন পরের সিনেমা গুলোতেও। সোনাক্ষির ক্যারিয়ারের প্রথম পাঁচটি সিনেমার চারটির আয় শত কোটি রুপি ছাড়িয়ে যায়। যা কিনা মাত্র ২ বছরের মধ্যে। আয়ের দিক লক্ষ্য করলেই বুঝা যায় কতটা সফল সোনাক্ষি। সোনাক্ষির ক্যারিয়ারের দ্বিতীয় সিনেমা অক্ষয় কুমারের সঙ্গে ‘রাউডি রাথোর’।

ওই সিনেমা আয় করে ১৩৩ কোটি রুপি। এরপর ২০১২ সালে মুক্তি পাওয়া ‘সন অব সর্দার’। সিনেমাটি আয় করে ১০৫ কোটি রুপি। একই বছরে ‘দাবাং ২’ আয় করে ১৫৫ কোটি রুপি। ২০১৪ সালে ‘হলিডে’ আয় করে ১১২ কোটি রুপি। এরপর ২০১৯ সালে ‘মিশন মঙ্গল’ বক্স হিসেবে সুপার হিট হয়। এ সিনেমাটি আয় করে ২০৮ কোটি রুপি।

দশের দশকের পর বলিউডে পা রেখেছেন এমন অভিনেত্রীদের মধ্যে প্রথম ১৫০০ কোটি রুপির ক্লাবে ঢুকেছেন সোনাক্ষি সিনহা। ক্যারিয়ার শুরুর পর থেকে একের পর এক ব্যবসা সফল সিনেমা করেছেন এই অভিনেত্রী। বলিউডে তৃতীয় অভিনেত্রী হিসেবে এই ক্লাবে ঢোকার কৃতিত্ব তার।

এরই ধারাবাহিকতায় ২০১০ সালের পর বলিউডে কাজ শুরু করেছেন এমন সবাইকেই আয়ের দিক থেকে পেছনে ফেলেছেন সোনাক্ষি।

সম্প্রতি ভারতের বলিউড লাইফ এ তথ্য প্রকাশ করেছে। বলিউডে তৃতীয় অভিনেত্রী হিসেবে এ কৃতিত্ব তার। একই সঙ্গে বক্স অফিসে বড় দান মেরেছে এমন কয়েকটি সিনেমার তালিকাও দিয়েছে বলিউড লাইফ। নিজের এই অর্জনের কথা জানিয়ে একটি টুইটও করেছেন সোনাক্ষি।

লিখেছেন, প্রকৃতি আমাকে একটি বিষয়ে দক্ষতা দিয়েছে, আমি আমার মস্তিষ্ক ও হৃদয় দিয়ে এ দক্ষতার ব্যবহার করি। দিনের পর দিন, রাতের পর রাত, আমি আগের দিনের চেয়ে নিজেকে আরও ভাল করে নিতে কাজ করি। বলিউড লাইফের তথ্যে দেখা যায়, ২০১০ সালে বলিউড সুপারস্টার সালমান খানের ‘দাবাং’ দিয়ে বলিউডে ক্যারিয়ার শুরু করেন সোনাক্ষি।

ক্যারিয়ারের প্রথম সিনেমাটি আয় করে ১৪১ কোটি রুপি। নিজের দক্ষতা দেখিয়েছেন পরের সিনেমা গুলোতেও। সোনাক্ষির ক্যারিয়ারের প্রথম পাঁচটি সিনেমার চারটির আয় শত কোটি রুপি ছাড়িয়ে যায়। যা কিনা মাত্র ২ বছরের মধ্যে। আয়ের দিক লক্ষ্য করলেই বুঝা যায় কতটা সফল সোনাক্ষি। সোনাক্ষির ক্যারিয়ারের দ্বিতীয় সিনেমা অক্ষয় কুমারের সঙ্গে ‘রাউডি রাথোর’।

ওই সিনেমা আয় করে ১৩৩ কোটি রুপি। এরপর ২০১২ সালে মুক্তি পাওয়া ‘সন অব সর্দার’। সিনেমাটি আয় করে ১০৫ কোটি রুপি। একই বছরে ‘দাবাং ২’ আয় করে ১৫৫ কোটি রুপি। ২০১৪ সালে ‘হলিডে’ আয় করে ১১২ কোটি রুপি। এরপর ২০১৯ সালে ‘মিশন মঙ্গল’ বক্স হিসেবে সুপার হিট হয়। এ সিনেমাটি আয় করে ২০৮ কোটি রুপি।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *