ড. কাজী এরতেজা সাতক্ষীরা জেলা আ.লীগের সহসভাপতি হলেন: নিজস্ব প্রতিবেদক, নতুন খবর |

 

বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের সাতক্ষীরা জেলা কমিটির সহসভাপতি মনোনীত হয়েছেন ভোরের পাতা সম্পাদক ও প্রকাশক, এফবিসিসিআই পরিচালক, ইরান বাংলাদেশ চেম্বার অব কমার্সের প্রতিষ্ঠাতা প্রেসিডেন্ট, ভোরের পাতা গ্রুপ অব কোম্পানিজের চেয়ারপারসন ড. কাজী এরতেজা হাসান, সিআইপি।

শুক্রবার বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের সভানেত্রী, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নির্দেশে সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের ২০১৯-২২ মেয়াদে ৭৫ জন বিশিষ্ট সাতক্ষীরা জেলা আওয়ামী লীগের পূর্ণাঙ্গ কমিটির অনুমোদন দেন। কমিটিতে বীর মুক্তিযোদ্ধা মনসুর আহমেদকে সভাপতি ও আলহ্বাজ নজরুল ইসলামকে সাধারণ সম্পাদক ছাড়াও মোট ১১ জনকে সহ-সভাপতি করা হয়েছে। এছাড়া যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ও সাংগঠনিক সম্পাদক করা হয়েছে তিনজন করে। বিভিন্ন সম্পাদকীয় পদের পাশাপাশি পূর্ণাঙ্গ কমিটিতে সদস্য করা হয়েছে ৩৬ জনকে।

সাতক্ষীরা জেলা আওয়ামী লীগের পূর্ণাঙ্গ কমিটিতে সহ-সভাপতি পদে মনোনীত হওয়ার প্রতিক্রিয়ায় ড. কাজী এরতেজা হাসান বলেন, গত ৫৫ দিন ধরে টানা তাবলিগের জন্য মসজিদে আছি। মহান আল্লাহ রাব্বুল আলামিনের অশেষ রহমতে জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের অসাম্প্রদায়িক বাংলাদেশের বিভিন্ন জেলা, উপজেলা মসজিদে যাচ্ছি ধর্মপ্রাণ মুসলমানদের নিয়ে। আল্লাহর পথে হাঁটলে তিনিই পুরস্কার দেন। ঠিক তেমনি আজ বঙ্গবন্ধু কন্যা, আমাদের আশা ভরসার শেষ আশ্রয়স্থল, মমতাময়ী প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা সাতক্ষীরা জেলা আওয়ামী লীগের পূর্ণাঙ্গ কমিটিতে আমাকে সহ-সভাপতি মনোনীত করেছেন। আমি তার কাছে চিরকৃতজ্ঞ। তার সাথে জাতিসংঘ অধিবেশন থেকে শুরু করে রাষ্ট্রীয় কয়েকটি সফরে দেখেছি, উড়ন্ত বিমানে কম্পাস দিয়ে দিক নির্ধারণ করে নামাজ আদায় করছেন। তার মতো ধর্মপ্রাণ ও অসাম্প্রদায়িক মানুষ আমি দেখেনি কোনোদিন। তার দেখানো পথেই হাঁটতে গিয়ে কখন যে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের রাজনীতির সাথে জড়িয়ে পড়েছি, তা ভেবে আমি আনন্দিত হই। কেননা, ছোটবেলা থেকেই আমার পিতা মরহুম কাজী আব্দুল মান্নান এবং মা যিনি এখনো বেঁচে আছেন, কাজী আজিজা মান্নান এখনো প্রতিদিন পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ পড়ে আল্লাহর দরবারে বঙ্গবন্ধু মুজিবুর রহমান এবং তার পরিবারের সকল শহীদের আত্মার জন্য দোয়া করেন। এমনকি তার সুযোগ্য দুই কন্যা শেখ হাসিনা এবং শেখ রেহানার এবং তাদের পরিবারের জন্য দোয়া করেন।

ড. ইরতেজা বলেন, আমি আরেকটা কথা বলতে চাই, আমার মা ধর্মচর্চা যেমন নিয়মিত করেন, তেমনি প্র্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার পছন্দের রবীন্দ্র সংগীত গুণগুণ করে গাইতে পারেন। এমন একটা পরিবার থেকেই উঠে এসেছি, সাতক্ষীরা যেখানে আমাদের পরিবার ছাড়া গুটি কয়েক পরিবার ছিল যারা আওয়ামী লীগ করতেন।

আওয়ামী লীগের এই নেতা বলেন, আজকের এই দিন আমার কাছে খুবই আনন্দের এবং কৃতজ্ঞতা প্রকাশের। আমাকে জেলা আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি পদে রাখার জন্য আওয়ামী লীগের সংগ্রামী সাধারণ সম্পাদক ও ছাত্রলীগের সোনালী দুঃসময়ের নেতা ওবায়দুল কাদের নিজে স্বাক্ষর করে অনুমোদন দিয়েছেন। তার কাছেও বিশেষ কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করছি। এছাড়া আওয়ামী লীগের প্রেসিডিয়াম সদস্য লে. কর্ণেল (অব.) ফারুক খান, জাহাঙ্গীর কবির নানক, আব্দুর রহমান, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক বাহাউদ্দিন নাছিম এবং খুলনা বিভাগের দায়িত্বপ্রাপ্ত সাংগঠনিক সম্পাদক বি এম মোজাম্মেলসহ সকল কেন্দ্রীয় নেতাদের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করছি। আমি বঙ্গবন্ধুর আদর্শের সৈনিক হিসাবে সাতক্ষীরা জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা মনসুর আহমেদকে ও সাধারণ সম্পাদক আলহ্বাজ নজরুল ইসলামের প্রতি বিশেষ কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করছি।

এরতেজা হাসান আরও বলেন, আমাকে যে দায়িত্ব দেয়া হয়েছে তা যেন বঙ্গবন্ধুর আদর্শ মেনে এবং শেখ হাসিনার নিদের্শনা পালন করতে পারি, সবাই এই দোয়া করবেন। সাতক্ষীরার মাটি ও মানুষের উন্নয়নের জন্য শেখ হাসিনার কর্মী হয়ে আমৃত্যু পাশে থাকতে চাই। এ কারণে সকল সাতক্ষীরাবাসীর কাছেও দোয়া চাই।

নতুন খবর//তুম

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *