ঘুমের ক্ষেত্রে আপনি সাবধান তো? Reviewed by Momizat on . ০৭ ফেব্রুয়ারি, ২০১৮ । বুধবার : শরীর সুস্থ-সবল রাখতে অক্সিজেন ও খাবারের মতোই আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো ঘুম। রাতে নির্ঝঞ্ঝাট একটি ঘুম সকালে শরীরকে চনমনে আর প্র ০৭ ফেব্রুয়ারি, ২০১৮ । বুধবার : শরীর সুস্থ-সবল রাখতে অক্সিজেন ও খাবারের মতোই আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো ঘুম। রাতে নির্ঝঞ্ঝাট একটি ঘুম সকালে শরীরকে চনমনে আর প্র Rating: 0
You Are Here: Home » লাইফস্টাইল » ঘুমের ক্ষেত্রে আপনি সাবধান তো?

ঘুমের ক্ষেত্রে আপনি সাবধান তো?

০৭ ফেব্রুয়ারি, ২০১৮ । বুধবার : শরীর সুস্থ-সবল রাখতে অক্সিজেন ও খাবারের মতোই আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো ঘুম। রাতে নির্ঝঞ্ঝাট একটি ঘুম সকালে শরীরকে চনমনে আর প্রফুল্ল করে তোলে। এতে সারা দিন শরীর কর্মক্ষম থাকে। কিন্তু এই ঘুমের আগে ছোট্ট একটি ভুল আপনার জীবনে বিভীষিকা ডেকে আনতে পারে।
কী সেই ভুল, যা করতে পারে চরম ক্ষতি, জানিয়েছে যুক্তরাষ্ট্রের ক্যালিফোর্নিয়া অঙ্গরাজ্যের গণস্বাস্থ্য বিভাগ।
মার্কিন গণস্বাস্থ্য বিভাগের বরাত দিয়ে সংবাদমাধ্যম এক্সপ্রেস জানায়, ঘুমের আগে মোবাইল ফোনের অবস্থান সম্পর্কে খুবই সচেতন থাকতে হবে। কারণ সব সময়ই ফোন থেকে নির্গত হতে থাকে ক্ষতিকর রেডিও কম্পাঙ্ক। যা দীর্ঘ সময় শরীরে কাছাকাছি থাকলে এক পর্যায়ে হতে পারে মস্তিষ্ক ক্যান্সার অথবা স্নায়ু ও লালা গ্রন্থিতে টিউমার।
এছাড়া মোবাইল ফোনের রেডিও কম্পাঙ্ক কমিয়ে দেয় পুরুষদের শুক্রাণুর সংখ্যা। এছাড়া কমে যায় সুস্থ শুক্রাণুর পরিমাণও। ফলে ধ্বংস হতে পারে সন্তান জন্মদানের ক্ষমতা।
গবেষণায় জানা গেছে, যোগাযোগের জন্য মোবাইল ফোন নিকটবর্তী টাওয়ারে রেডিও কম্পাঙ্ক পাঠায়। এ কম্পাঙ্ক ফোন থেকে বের হয়ে চারিদিকে ছড়িয়ে পড়ে। মানুষের মাথা বা শরীরের কাছে ফোন থাকলে কোষের ওপর মারাত্বক প্রভাব ফেলে। আর ঘুমানো সময় টানা সাত থেকে আট ঘণ্টা ফোন শরীরের কাছে থাকলে তার ক্ষতি সহজেই অনুমেয়।
মার্কিন গণস্বাস্থ্য বিভাগ জানিয়েছে, যখন নেটওয়ার্ক একেবারেই কম থাকে তখন মোবাইল শরীরের জন্য সবচেয়ে বেশি ক্ষতিকর। তাই এ সময় ফোন কম ব্যবহার করতে হবে। এছাড়া রাতে ঘুমানোর সময় ফোন অফ করে অথবা অ্যারোপ্লেন মোডে রাখতে হবে। সেটি সম্ভব না হলে শরীর থেকে কয়েক ফুট দূরে রাখতে হবে ফোন। এ ছাড়া কথা বলার সময় হেডফোনের ব্যবহার ঝুঁকি অনেকটাই কমায়।

Leave a Comment