’অমর একুশে বইমেলা-২০১৮’-কে ঘিরে নিশ্ছিদ্র নিরাপত্তা ব্যাবস্থা Reviewed by Momizat on . ৩১ জানুয়ারি, ২০১৮ । বুধবার (ঢাকা) : আগামীকাল থেকে আসছে ভাষার মাস ফেব্রুয়ারী। ভাষা শহীদদের স্মরণে এই মাসটিকে ঘিরে বাঙালী জাতি বরাবর বিভিন্ন কর্মসূচি পাল করে। মাস ৩১ জানুয়ারি, ২০১৮ । বুধবার (ঢাকা) : আগামীকাল থেকে আসছে ভাষার মাস ফেব্রুয়ারী। ভাষা শহীদদের স্মরণে এই মাসটিকে ঘিরে বাঙালী জাতি বরাবর বিভিন্ন কর্মসূচি পাল করে। মাস Rating: 0
You Are Here: Home » জাতীয় » ’অমর একুশে বইমেলা-২০১৮’-কে ঘিরে নিশ্ছিদ্র নিরাপত্তা ব্যাবস্থা

’অমর একুশে বইমেলা-২০১৮’-কে ঘিরে নিশ্ছিদ্র নিরাপত্তা ব্যাবস্থা

৩১ জানুয়ারি, ২০১৮ । বুধবার (ঢাকা) : আগামীকাল থেকে আসছে ভাষার মাস ফেব্রুয়ারী। ভাষা শহীদদের স্মরণে এই মাসটিকে ঘিরে বাঙালী জাতি বরাবর বিভিন্ন কর্মসূচি পাল করে। মাসটি যেন বুকের ভেতর লালন করে আসছি আমরা। তাইতো পুরো মাসজুড়ে ‘অমর একুশে বইমেলার আয়োজন’। তবে বিগত কয়েক বছরে বইমেলাকে ঘিরে নানা সহিংসতায় কিছুটা উদ্বিগ্ন সকলে। তাই এবারের নিরাপত্তার প্রতি যেন বরাবরের চেয়ে একটু বেশিই জোর দিচ্ছে ডিএমপি।
“বইমেলা উপলক্ষে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়, বাংলা একাডেমি, দোয়েল চত্বর, শিশু একাডেমি, টিএসসি ও আশেপাশের এলাকায় নিñিদ্র নিরাপত্তা নিশ্চিত করা হয়েছে” বইমেলার নিরাপত্তা ব্যবস্থা পরিদর্শনকালে সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে স্থাপিত অস্থায়ী পুলিশ কন্ট্রেল রুমের সামনে সাংবাদিকদের এ কথা বললেন ঢাকা মহানগর পুলিশ কমিশনার মোঃ আছাদুজ্জামান মিয়া। তিনি আরো বলেন, প্রতি বছরের ন্যায় এবারও এই বইমেলাকে ঘিরে কঠোর নিরাপত্তা ব্যবস্থা নেয়া হয়েছে। পুরো মাস জুড়ে সেহরাওয়ার্দী উদ্যান ও বাংলা একাডেমি মাঠ প্রাঙ্গনে চলবে বইমেলা । পুরোটা সময় জুড়ে এ নিরাপত্তা ব্যবস্থা বলবৎ থাকবে। ধর্মীয় সাম্প্রদায়িক চেতনায় আঘাত করে এমন কোন বই বইমেলায় কেউ আনতে পারবে না উল্লেখ করে ডিএমপি কমিশনার বলেন, বইমেলার ভেতরে ও বাহিরে পর্যাপ্ত সংখ্যক পুলিশও সার্বক্ষণিক দায়িত্ব পালন করবে। তিনি বলেন, স্ট্যান্ডবাই থাকবে সোয়াট, বোম্ব ডিসপোজাল ইউনিট ও ডগ স্কোয়াড। মেলা প্রাঙ্গন ডগ স্কোয়াড ও এসবি দিয়ে সুইপিং করানো হবে। তিনি বলেন, “শাহবাগ, বকশি বাজার, নীলক্ষেত ও দোয়েল চত্বর ঘিরে থাকবে পুলিশের বহিঃবেষ্টনী নিরাপত্তা বলয়। বাংলা একাডেমি ও সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে থাকবে আন্তঃবেষ্টনী নিরাপত্তা ব্যবস্থা। উভয় বই মেলা চত্বর সিসিটিভির আওতায় আনা হয়েছে।”
কমিশনার বলেন, বই মেলাকে ঘিরে রয়েছে একাধিক ওয়াচ টাওয়ার। যেখান থেকে সার্বক্ষণিক একজন পুলিশ সদস্য দূরবীন দিয়ে দর্শণার্থীদের গতিবিধি লক্ষ্য রাখবে। কন্ট্রোল রুম থেকে মেলার ভিতরে ও চারপশে সার্বক্ষণিক সিসিটিভি দিয়ে পর্যবেক্ষন করা হবে। ইভটিজিং, অনাকাঙ্খিত ঘটনা, ছিনতাই ও পকেটমার প্রতিরোধে কাজ করবে পুলিশের বিশেষ টিম। তিনি বলেন, অগ্নিনির্বাপনের জন্য থাকবে ফায়ার ইউনিট ও প্রাথমিক চিকিৎসার ব্যবস্থা। সেই সাথে বইয়ের স্টলে অগ্নি নির্বাপণ যন্ত্র রাখতে বলা হয়েছে। দোয়েল চত্বর থেকে টিএসসি পর্যন্ত কোন গাড়ি চলতে দেয়া হবে না। শুধুমাত্র বাংলা একাডেমির স্টিকারযুক্ত গাড়ি প্রবেশ করতে পারবে। এই এলাকায় কোন প্রকার হকার বা ভ্রাম্যমান দোকান প্রবেশ করতে পারবে না।
তিনি আরো বলেন, যাতে কোন প্রকার অপ্রীতিকর ঘটনা না ঘটে সেজন্য মেলায় প্রবেশ ও বাহিরের জন্য থাকবে আলাদা গেট। প্রত্যেক দর্শনার্থীকে আর্চওয়ে ও মেটাল ডিটেক্টর দ্বারা তল্লাশীর মাধ্যমে মেলায় প্রবেশ করানো হবে। যদি কোন লেখক ও প্রকাশকের বিশেষ নিরাপত্তার প্রয়োজন হয় তাহলে মেলায় স্থাপিত পুলিশ কন্টোল রুমে যোগাযোগ করলে তাদের নিরাপত্তা প্রদান করা হবে। বইমেলায় কোন প্রকার ব্যাগ, ব্যাগ প্যাক, ভ্যানিটি ব্যাগ, ট্রলি ব্যাগ, দাহ্য পদার্থ, ধারালো অস্ত্র, আগ্নেয়াস্ত্র নিয়ে আসা যাবে না। নিরাপত্তার স্বার্থে পুলিশের তল্লাশী কাজে সহযোগিতা করার জন্য নগরবাসীকে আহবান জানান তিনি।
যানবাহনসমূহ (দোয়েল চত্বর কেন্দ্রিক) ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় জিমনেশিয়াম মাঠ, মোকাররম ভবন মাঠ ও দোয়েল চত্বর ক্রসিং হতে শহিদুল্লাহ হল পর্যন্ত রাস্তার দুই পাশে এক লেনে এবং (টিএসসি কেন্দ্রিক) রেজিস্টার ভবন (মলচত্বর) মাঠ, ফুলার রোড রাস্তার দুই পাশে এক লেনে পার্কিং করার জন্য ডিএমপি’র পক্ষ থেকে অনুরোধ জানানো হয়েছে।

Leave a Comment