বিবাহিত হয়ে বিজিবি সিপাহী মতিনের চাকুরী নেওয়া সহ একাধিক বিয়ের প্রতরনার অভিযোগ Reviewed by Momizat on . নিজস্ব প্রতিবেদকঃ নিলফামারী জেলার কিশোরগঞ্জ থানার মধুপুর গ্রামের মৃত সাওখাত হোসেনের পুত্র বর্তমানে কুড়িগ্রাম বিজিবি অফিসে কর্মরত বিজিবি সিপাহী আঃ মতিন (৮০৬৩৯} য নিজস্ব প্রতিবেদকঃ নিলফামারী জেলার কিশোরগঞ্জ থানার মধুপুর গ্রামের মৃত সাওখাত হোসেনের পুত্র বর্তমানে কুড়িগ্রাম বিজিবি অফিসে কর্মরত বিজিবি সিপাহী আঃ মতিন (৮০৬৩৯} য Rating:
You Are Here: Home » অপরাধ » বিবাহিত হয়ে বিজিবি সিপাহী মতিনের চাকুরী নেওয়া সহ একাধিক বিয়ের প্রতরনার অভিযোগ

বিবাহিত হয়ে বিজিবি সিপাহী মতিনের চাকুরী নেওয়া সহ একাধিক বিয়ের প্রতরনার অভিযোগ

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ নিলফামারী জেলার কিশোরগঞ্জ থানার মধুপুর গ্রামের মৃত সাওখাত হোসেনের পুত্র বর্তমানে কুড়িগ্রাম বিজিবি অফিসে কর্মরত বিজিবি সিপাহী আঃ মতিন (৮০৬৩৯} যৌতুক নিয়ে পরপর তিনটি বিয়ে করেছেন । এর মধ্যে প্রথম বিয়ে করেছেন সুইটিকে । সে স্ত্রীর সাথে তার মামলা চলছে । সিপাহী মতিনের বড় ভাই সাদেকুল ও বিজিবিতে কর্মরত । তার সহায়তায় একটি মটরসাইকেল ও দুই লক্ষ টাকা যৌতুক নিয়ে মতিন দ্বিতীয় বিয়ে করে কুড়িগ্রাম এলাকার তুলিকে। আর তুরাগ এলাকার বামনারটেকের আরেকজন মেয়েকে সে রংপুর নিয়ে বিয়ে করে । তৃতীয় স্ত্রীর যাবতীয় সঞ্চিত অর্থ হাতিয়ে নেয় । জমি বিক্রির দেড় লক্ষ টাকা ও গহনা বিক্রির ৬০ হাজার টাকা এবং ভুরুঙ্গামারি বিজিবি ক্যাম্প থেকে সাইকেল হারানোর মিথ্যা তথ্য দিয়ে ৫ হাজার টাকা ও ৪ টি নেপালী গরু দেড় লক্ষ টাকা দিয়ে কিনে দেওয়া সহ প্রায় ১ বছরে ৬ লক্ষ টাকা আত্মসাৎ করে । তৃতীয় স্ত্রী নিরক্ষর বিধায় বিয়ে রংপুরের কোন কাজী অফিসে তার ঠিকানা সে বলতে না পারায় ও তৃতীয় স্ত্রীর প্রায় সব টাকাপয়সা আত্মসাৎ করে তৃতীয় বিয়ে সিপাহী মতিন অস্বীকার করায় তৃতীয় স্ত্রী রোকেয়া বিজিবি ( বর্ডার গার্ড অব বাংলাদেশ ) কুড়িগ্রাম ও রংপুর ক্যাম্পে মতিনের প্রতারনার বিরুদ্ধে লিখিত অভিযোগ করে । তখন মতিনের স্ত্রী রোকেয়া জানতে পারে যে -তাকে বিয়ে করার আগে আরো দুইটি বিয়ে করেছে । অথচ বিজিবি সদর দপ্তরের রেকর্ডে সিপাহী মতিন অবিবাহিত ! সে বিবাহিত নিবন্ধিত হলে তো আর নতুন করে অবিবাহিত সেজে প্রতারনা করে যৌতুক নিয়ে পুনরায় বিয়ে করতে পারবেন না তাই বহু বছর ধরে বিবাহিত হলে তা বিজিবির কাছে গোপন রেখেছেন । এবার কুড়িগ্রামে তার তথ্য সংগ্রহে গেলে বেড়িয়ে আসে তার বহু অপকর্মের কথা । মতিনের আর প্রথম বিয়ে ২০০২সাল কিন্তু কাবিনে মতিনের বয়স উল্লেখ আছে ২২ বছর আবার মতিনের বিজিবি আইডি কার্ড এ বয়স ১৯৮৮ সন জন্ম । তাহলে প্রথম বিয়ের সময় মতিনের বয়স হওয়ার কথা ১৪ বছর ।বিবাহিত মতিন তার প্রকৃত বয়স ও বিয়ের তথ্য গোপন করে বিজিবিতে সিপাহির চাকরি নেয় । প্রায় ১০ বছর আগে ।এই বিজিবির চাকরি কালিন সময়ে তার প্রতম স্ত্রীকে ঘরে তুলে না নেওয়ায় সে নারী ও শিশু নিযাৃযাতন আইনে মামলা করে ।৪ বছর পূর্বে দ্বিতীয বিয়ে করে তার এলাকার তুলিকে।।তথ্য গোপন করে রোকেয়াকে তৃতীয়বার বিযে করে তার বাড়ী নিয়ে যায় ।এটা জানতে পেড়ে দ্বিতীয় স্ত্রী তুলি মতিনকে চাপ দিলে মতিন বিয়ের কথা অস্বীকার করলে তৃতীয় স্ত্রী রোকেয়া কুড়িগ্রামে মতিনের কর্মস্থল েএ যায় এবং স্ত্রীর অধিকার ও যৌতুক নেওয়া সহ প্রতারনার মামলা করে করে বিজিবি কুড়িগ্রামে লিখিত অভিযোগ দেয় । যা তদন্তধীন আছে বলে জানান রংপুর বিজিবির গ্রুপ কমান্ডার।প্রতারনা ও বিয়েরতথ্য গোপন করে মতিনের বিজিবিতে চাকুরী বহালের ব্রাপারে আইনানুগ ব্যবস্থা নিবে বিজিবি কর্তৃপক্ষ আশা ভুক্তভোগী রোকেয়ার । প্রতিবেদক কুড়িগ্রাম বিজিবি ক্যাম্পের সিও কে ও অভিযুক্তকে ফোন দিলে কেউ ফোন রিসিভ করেন নি।

 

নতুনখবর/সোআ

Leave a Comment