তাভেল্লা হত্যা: কাইয়ুমের ভাই মতিন জামিনে Reviewed by Momizat on . আদালত প্রতিবেদক : ইতালির নাগরিক তাভেল্লা সিজার হত্যা মামলার আসামি বিএনপি নেতা এম এ কাইয়ুমের ছোট ভাই আবদুল মতিন প্রায় তিন মাস ধরেই জামিনে। তিনি নিয়মতি আদালতে হাজ আদালত প্রতিবেদক : ইতালির নাগরিক তাভেল্লা সিজার হত্যা মামলার আসামি বিএনপি নেতা এম এ কাইয়ুমের ছোট ভাই আবদুল মতিন প্রায় তিন মাস ধরেই জামিনে। তিনি নিয়মতি আদালতে হাজ Rating:
You Are Here: Home » আইন-আদালত » তাভেল্লা হত্যা: কাইয়ুমের ভাই মতিন জামিনে

তাভেল্লা হত্যা: কাইয়ুমের ভাই মতিন জামিনে

আদালত প্রতিবেদক : ইতালির নাগরিক তাভেল্লা সিজার হত্যা মামলার আসামি বিএনপি নেতা এম এ কাইয়ুমের ছোট ভাই আবদুল মতিন প্রায় তিন মাস ধরেই জামিনে। তিনি নিয়মতি আদালতে হাজিরাও দিচ্ছেন। চাঞ্চল্যকর এই হত্যা মামলাটি এখন স্বাক্ষ্য গ্রহণের পর্যায়ে রয়েছে।

২০১৬ সালের ২৫ অক্টোবর আবদুল মতিনকে জামিন দেয় হাইকোর্ট। পরে জামিন স্থগতি করে ছয় সপ্তাহের জন্য স্থগিত করেছিলেন চেম্বার বিচারপতি। তাঁর জামিন মঞ্জুর করে হাইকোর্টের দেওয়া আদেশ স্থগিত চেয়ে রাষ্ট্রপক্ষের করা আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে চেম্বার বিচারপতি মির্জা হোসেইন হায়দার জামিন স্থগিতের আদেশ দিয়েছিলেন। পরে তাকে জামিন দেয় হাইকোর্ট।

এই মামলায় আসামিপক্ষের আইনজীবী সানাউল্লাহ মিয়া ঢাকাটাইমসকে বলেন, ‘প্রায় তিনমাস আগে এই মামলায় আবদুল মতিন হাইকোর্ট থেকে জামিন পেয়েছেন। বর্তমানে মামলায় স্বাক্ষ্য গ্রহণ চলছে। আসামি আবদুল মতিন নিয়মিত এই মামলায় হাজিরাও দিচ্ছেন।’

জানতে চাইলে ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশের উত্তর বিভাগের উপকমিশনার শেখ নাজমুল আলম বলেন, এই মামলায় আমরা প্রতিবেদন দিয়েছি। একজন আসামি জামিনে আছেন, সেটাও আমরা জানি। মামলা এখন চলমান, কেউ জামিন পাবে কি না, এটা আদালতের বিষয়।

২০১৫ সালের ২৮ সেপ্টেম্বর সন্ধ্যায় গুলশান-২ এর ৯০ নম্বর সড়কের ফুটপাতে তাভেল্লা সিজারকে গুলি করে হত্যা করা হয়। জঙ্গিগোষ্ঠী আইএস এই হত্যার দায় স্বীকার করেছে বলে যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক এক ওয়েবসাইটে দাবি করা হলেও পুলিশ বলছে ভিন্ন কথা। তারা বলছে, দেশকে অস্থিতিশীল করার চক্রান্তের অংশ হিসেবে একজন বিদেশিকে হত্যার অংশ হিসেবেই মারা পড়েছেন তাভেল্লা সিজার।

এই ইতালীয় নাগরিক হত্যার পর পুলিশ জানায়, একজন বড় ভাইয়ের নির্দেশে খুন করা হয়েছে তাভেল্লাকে। পরে জানা যায় এই বড় ভাই হলেন বাড্ডার বিএনপি নেতা এম এ কাইয়ুম। আর সিসি ক্যামেরার ফুটেজ মিলিয়ে কয়েকজনকে গ্রেপ্তারের কথাও জানায় পুলিশ। এদের মধ্যে আছেন কাইয়ুমের ভাই মতিনও। তাকে ২০১৫ সালের নভেম্বরে ভারতে পালিয়ে যাওয়ার চেষ্টার সময় পুলিশ গ্রেপ্তার করে। পরে তাকে রিমান্ডে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদও করা হয়।

ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশের (ডিবি) পরিদর্শক গোলাম রাব্বানী ২০১৬ সালের ২৮ জুন মামলাটিতে কাইয়ুম ও তার ভাই মতিনসহ সাত জনের বিরুদ্ধে আদালতে অভিযোগপত্র দেন। অন্য আসামিরা হলেন, তামজিদ আহমেদ ওরফে রুবেল ওরফে শুটার রুবেল, রাসেল চৌধুরী ওরফে চাক্কি রাসেল, মিনহাজুল আরেফিন রাসেল ওরফে ভাগনে রাসেল ও শাখাওয়াত হোসেন ওরফে শরিফ ও মো. সোহেল ওরফে ‘ভাঙ্গারি সোহেল’।

২০১৬ সালের ২৫ অক্টোবর আসামিদের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠনের মধ্য দিয়ে শুরু হয় বিচার। মামলায় নেদারল্যান্ডসভিত্তিক আন্তর্জাতিক সংস্থার সিনিয়র সিস্টেম ইঞ্জিনিয়ার শেখ এজেড এম ফয়সাল মাহমুদ প্রতীব এবং তৌফিকুর রহমান আদালতে সাক্ষ্য দিয়েছেন।

আসামিদের মধ্যে তামজিদ, রাসেল চৌধুরী, মিনহাজুল ও শাখাওয়াত আদালতে ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন। আর কাইয়ুম ও সোহেল পলাতক।

পুলিশের প্রতিবেদনে বলা হয়, হামলাকারীদের লক্ষ্য ছিল একজন শ্বেতাঙ্গকে হত্যা করে দেশে-বিদেশে আতঙ্ক ছড়িয়ে দেওয়া। দেশের ভাবমূর্তি ক্ষুন্ন করতে এই পরিকল্পনা করা হয়।

নতুনখবর/সোআ

Leave a Comment