বাদাম চাষে সফল মহম্মদপুরের মধুমতী পাড়ের কৃষকরা। Reviewed by Momizat on . মোঃ হাসিবুর রশীদ, মহম্মদপুর (মাগুরা) প্রতিনিধিঃ মধুমতী এবং নবগঙ্গা নদী বিধৈত জনপদ মাগুরা জেলার মহম্মদপুর উপজেলা। প্রমত্তা পদ্মার শাখানদী মধুমতী তার যৌবন হারিয়েছ মোঃ হাসিবুর রশীদ, মহম্মদপুর (মাগুরা) প্রতিনিধিঃ মধুমতী এবং নবগঙ্গা নদী বিধৈত জনপদ মাগুরা জেলার মহম্মদপুর উপজেলা। প্রমত্তা পদ্মার শাখানদী মধুমতী তার যৌবন হারিয়েছ Rating:
You Are Here: Home » আন্তর্জাতিক » Uncategorize » বাদাম চাষে সফল মহম্মদপুরের মধুমতী পাড়ের কৃষকরা।

বাদাম চাষে সফল মহম্মদপুরের মধুমতী পাড়ের কৃষকরা।

মোঃ হাসিবুর রশীদ, মহম্মদপুর (মাগুরা) প্রতিনিধিঃ মধুমতী এবং নবগঙ্গা নদী বিধৈত জনপদ মাগুরা জেলার মহম্মদপুর উপজেলা। প্রমত্তা পদ্মার শাখানদী মধুমতী তার যৌবন হারিয়েছে অনেক আগেই। বর্ষা মৌসুম ছাড়া কার্যত শুকনো থাকে নদীটি। বিস্তৃত ধু ধু বালুচর বুকে নিয়ে ধুকতে থাকে এককালের উচ্ছ্বল মধুমতী। নদীপাড়ের সংগ্রামী কৃষকরা সেই বালুচরে বাদাম চাষ শুরু করেছে। নদী এখন পরিনত হয়েছে ফসলের মাঠে। নদীর বুকে বাদাম, তরমুজ, বাঙ্গি, জিরা সহ আরো বিভিন্ন ফসলের চাষ হচ্ছে। মধুমতী এখন আর আতঙ্ক নয়, পরিনত হয়েছে আর্শীবাদে। নদীচরে কৃষকদের বাদাম উৎপাদনের আশা ভরসা দিনদিন বেড়েই চলেছে।

এবছর বাদামের ভালো ফলন হওয়ায় ভালো দামের আশা করছে কৃষকরা। উপজেলার চরসালামত পুর, হরেকৃষ্ণপুর, ঝামা বাজার সহ অনেক চরে বাদামের বাম্পার ফলন হয়েছে। অন্যান্য বছরের তুলনায় এবছর গাছের গোড়ায় বাদামের পরিমান বেশি হওয়ায় নদীপাড়ের কৃষকদের মুখে হাসি ফুটেছে। স্থানীয় বাদাম চাষীদের সাথে কথা বলে জানা যায়, এবার প্রতিমণ কাঁচা বাদাম ৩৫০০ থেকে ৪০০০ টাকা দরে বিক্রি করবে তারা। গত বছর বাদামের দামে মন্দা থাকায় বাদাম চাষের সুফল পাওয়া সম্ভব হয়নি।স্থানীয় আসাদ জানান, প্রতি বছরের ন্যায় এবারও বাদাম চাষ করেছি। বাদামের ফলন ভালো হয়েছে। সরকারী সাহায্য আর সরকারী কর্মকর্তাদের নজরদারী থাকলে আরো ফালো ফলন পেতাম।

উপজেলার বাবুখালী ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মীর মোঃ সাজ্জাদ আলী বলেন, এবছর বাদামের বাম্পার ফলন হওয়ায় অর্থনৈতিকভাবে চাষীপরিবারগুলো বাদাম চাষের সুফল পাবে। অনেক আগে মধুমতী নদী যখন খর¯্রােতা ছিলো তখন কেউ এভাবে বাদাম চাষের কথা চিন্তাও করতো না। এখন মানুষ মধুমতীর চরকে আর্শীবাদ হিসেবে গ্রহন করেছে।

নতুনখবর/সোআ

Leave a Comment