ঢাকাআজ শুক্রবার ১৭ই আগস্ট, ২০১৭ ইং ৩রা ভাদ্র, ১৪২৪ বঙ্গাব্দ২৫শে জিলক্বদ, ১৪৩৮ হিজরীরাত ১:১৫

  • মোহাম্মদপুরে যুবলীগ কার্যালয় ভাঙচুর, বঙ্গবন্ধুর প্রতিকৃতি লুট
  • জীবন যেমন চাই, তেমন হয়তো পাই না : মিথিলা
  • ‘হিন্দি ছাড়া অন্য আরও ভাষায় নির্মাণ হবে’: অমিতাভ রেজা
  • সালমান শাহ’র অপমৃত্যুর মামলা হত্যা মামলায় রূপান্তরের দাবি
  • সুনামগঞ্জে,দিরাইয়ে বিষাক্ত সাঁপের কামড়ে এক গৃহবধুর মৃত্যু
  • বোদায় গবীর মেধাবী ছাত্রীদের মাঝে বাইসাইকেল বিতরণ
  • সিদ্ধিরগঞ্জ থানা জাতীয় পার্টির সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত হওয়ায় সেলিম ওসমান এমপির প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ
  • সিদ্ধিরগঞ্জে ১৫ আগষ্ট বঙ্গবন্ধুর শাহাদাৎ বার্ষিকী ও ১২ আগষ্ট শোকর‌্যালি উপলক্ষে স্বেচ্ছাসেবকলীগ মহানগরের প্রস্তুতিমূলক বর্ধিত সভা
  • গভীরতম শোকের মাস আগস্ট
  • জলঢাকায় কালীগঞ্জ বদ্ধভুমি পরিদর্শনে এডিশনাল আইজিপি
  • 134 বার পড়া হয়েছে «

    বছরের অর্ধেক দিন বন্ধ সুপ্রিম কোর্ট

    নিজস্ব প্রতিবেদক : বছরের প্রায় অর্ধেক দিনই বন্ধ থাকে দেশের সর্বোচ্চ আদালত সুপ্রিম কোর্ট। এই দীর্ঘ সময় আদালত বন্ধ থাকার কারণে মামলা জট বাড়ছে বলে অনেকে মনে করেন। চলতি জুন মাসেও অবকাশকালীন ছুটিতে আছেন বিচারপতিরা। গত ১১ জুন থেকে এ ছুটি শুরু হয়েছে। আদালত খুলবে ২ জুলাই।

    সুপ্রিম কোর্টের ক্যালেন্ডার থেকে জানা যায়, বছরের ৩৬৫ দিনের মধ্যে ১৭৯ দিনই বন্ধ। বাকি ১৮৬ দিন চলে বিচার কাজ। প্রতি সপ্তাহে সরকারি ছুটি দুই দিন। ৫২ সপ্তাহে ছুটি ১০৪ দিন। বিচারপতিরা অবকাশকালীন ছুটি কাটান বছরে চার বার। সপ্তাহিক ও সরকারি অন্যান্য ছুটি বাদে অবকাশকালীন ছুটি ভোগ করেন ৬২ দিন। এছাড়া সরকারি ছুটি আছে ১৩ দিন।

    এদিকে ভারতের সুপ্রিম কোর্টের ক্যালেন্ডার বিশ্লেষণ করে দেখা যায়, ভারতে সুপ্রিম কোর্ট বন্ধ থাকে বছরে ১৩৭ দিন। বাকি ২২৮ দিন বিচারিক কার্যক্রম চলে। ভারতে সপ্তাহিক ছুটি এক দিন। ১১ মে থেকে ৩০ জুন পর্যন্ত টানা অবকাশকালীন ছুটি কাটান বিচারকরা। এছাড়া ১৮ থেকে ৩১ ডিসেম্বর ছুটি থাকে ভারতে। সাপ্তাহিক ছুটি বাদে অবকাশকালীন ছুটি কাটান ৫৪ দিন।

    ভারত ও বাংলাদেশের ছুটির বিষয়টি বিশ্লেষণ করলে দেখা যায়, ভারতের চেয়ে বাংলাদেশের উচ্চ আদালতের বিচারপতিরা ৪২ দিন বেশি ছুটি ভোগ করেন। তবে এই পার্থক্যটা তৈরি হয়েছে সাপ্তাহিক ছুটি দুই দিন হওয়ার কারণে। তবে বাংলাদেশের বিচারপতিরা অবকাশকালীন ছুটি কম কাটান আট দিন।

    প্রধান বিচারপতি সুরেন্দ্র কুমার সিনহা দায়িত্ব নেয়ার পর ২০১৫ সালের শুরুর দিকে সুপ্রিম কোর্টের ছুটি কমানোর বিষয়ে কথা বলেন। পরে এ নিয়ে তিনি বৈঠকও করেন বিচারপতিদের সঙ্গে। কিন্তু পরে তা আর আগায়নি।

    প্রধান বিচারপতি তখন এক অনুষ্ঠানে বলেন, ‘আমি হাইকোর্ট বিভাগে যখন জুনিয়র জাজ ছিলাম তখন আমি বিষয়টি অনুভব করেছিলাম। আমি ১০ বছর আগে ফুল কোর্টে আলোচনার জন্য প্রস্তাব দিয়েছিলাম। একজন বিচারপতি আমাকে সমর্থন করেছিলেন। তিনি এখানে আছেন। ছুটি কমানোর জন্য আলাপ করে দেখব, যাতে একটি সৌহার্দ্যপূর্ণ পথ বেরিয়ে আসে।’

    সুপ্রিম কোর্ট সূত্র জানায়, প্রধান বিচারপতির এই তাগাদার পর বিচারপতিদের ফুল বেঞ্চের এক সভায় বিষয়টি নিয়ে আলোচনা হয়। তবে একজন বিচারপতি ছাড়া অধিকাংশ বিচারপতি অবকাশকালীন ছুটি না কমানোর পক্ষে মত দেন।

    ছুটি না কমলেও অবকাশকালীন ছুটির সময় বেঞ্চের সংখ্যা বাড়িয়ে দিয়েছেন প্রধান বিচারপতি। চলতি ছুটিতেও প্রতিদিন পাঁচটি করে অবকাশকালীন বেঞ্চ বসছে। এর আগের অবকাশেও তুলনামূলক বেশি অবকাশকালীন বেঞ্চ দেয়া হয়েছিল। আগের চেয়ে সম্প্রতি সময়ের অবকাশে আইনজীবীদেরও বেশি দেখা যায় সুপ্রিম কোর্ট প্রাঙ্গণে। জামিনসহ গুরুত্বপূর্ণ অনেক মামলা শুনানি হচ্ছে অবকাশকালীন বেঞ্চে।

    সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবীরা অবকাশকালীন ছুটির পক্ষে। তারা মনে করেন, আদালত চলাকালীন সময়ে বিচারপতিরা রায় লিখতে পারেন না। অবকাশকালীন সময়ে তারা রায় লেখেন।

    এ বিষয়ে সাবেক আইনমন্ত্রী ও সুপ্রিম কোর্ট আইনজীবী সমিতির সাবেক সভাপতি সফিক আহমেদ ঢাকাটাইমসকে বলেন, ‘ইতিপূর্বে অবকাশকালীন ছুটি আরো বেশি ছিল। এখনতো অনেক কম ছুটি। তবে অবকাশেও কোর্ট খোলা থাকে। অবকাশকালীন বেঞ্চ বসে। তাছাড়া ছুটিতে বিচারকরা তাদের রায় লেখেন।’

    সুপ্রিম কোর্ট আইনজীবী সমিতির সম্পাদক মাহবুব উদ্দিন খোকনও একই যুক্তি দেন। তিনি ঢাকাটাইমসকে বলেন, সারা পৃথিবীতেই বিচারপতিরা অবকাশকালীন ছুটি ভোগ করেন। এসময় রায় লেখাসহ নানা কাজ করেন বিচারপতিরা।

    সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী গোলাম সরওয়ার পায়েল ঢাকাটাইমসকে বলেন, ‘বিচারপতি ও আইনজীবীদের জন্য অবকাশের প্রয়োজন আছে। আদালত চলাকালীন সময়ে বিচারপতিরা তাদের রায় লিখতে পারেন না। অবকাশে তারা সেই কাজটিই করেন।’

    পায়েল বলেন, ‘তবে উচ্চ আদালতের মামলা জট কমাতে নতুন কোনো পদ্ধতির কথা চিন্তা করা যেতে পারে। বেশি করে অবকাশকালীন বেঞ্চ দেয়া যেতে পারে।’

    অবকাশে আইনজীবীদের সমস্যার কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, অবকাশে আইনজীবীরা বেকার হয়ে যায়। মামলা নেওয়া যায় না। তাদের আয় কমে যায়।

    প্রধান বিচারপতি থেকে শুরু করে জাতীয় সংসদে দেশের আদালতগুলোতে মামলা জট নিয়ে কথা হচ্ছে। বর্তমান প্রধান বিচারপতি সুরেন্দ্র কুমার সিনহাও মামলা জট কমাতে কাজ করে যাচ্ছেন। সুপ্রিম কোর্ট থেকে বিভিন্ন সময়ে এ সংক্রান্ত দিক নির্দেশনা দেয়া হচ্ছে।

    নতুনখবর/সোআ

    Comments

    comments

    পাঠকের কিছু জনপ্রিয় খবর

    বিশ্বজিৎ হত্যা : হাইকোর্টের রায় ৬ আগস্ট


    বিস্তারিত

    আবারও জা‌মিন পে‌লেন আরাফাত সা‌নি


    বিস্তারিত

    মাগুরায় স্ত্রী-কন্যা হত্যার দায়ে স্বামীকে মৃত্যুদন্ড দিয়েছে আদালত


    বিস্তারিত

    তাভেল্লা হত্যা: কাইয়ুমের ভাই মতিন জামিনে


    বিস্তারিত

    ১৫ বছরেও বিচার নেই মডেল তিন্নি হত্যার


    বিস্তারিত

    বছরের অর্ধেক দিন বন্ধ সুপ্রিম কোর্ট


    বিস্তারিত

    চতুর্থ শ্রেণীর স্কুল ছাত্রের বিরুদ্ধে সুনামগঞ্জে পুলিশ এসল্ট মামলায় আদালতে অভিযোগ পত্র দাখিল!


    বিস্তারিত

    আগেও একটি বিয়ে করেছেন ক্রিকেটার সানি


    বিস্তারিত

    মানিকগঞ্জে হত্যা মামলায় ৫ জনের মৃত্যুদণ্ডাদেশ


    বিস্তারিত

    সাংবাদিক হাবিব সরোয়ার আজাদকে বিজ্ঞ আদালত জামিন দিয়েছেন


    বিস্তারিত

    ‘তোরে জজ বানাইছে কেডা’ যারা বলে তাদের হাতে বিচার বিভাগ ছাড়া ঠিক হবে না


    বিস্তারিত

    জরুরি অবস্থায় বেআইনিভাবে অর্থ নিয়েছিল ডিজিএফআই: সুপ্রিম কোর্ট


    বিস্তারিত

    খালেদার ৩ মামলা স্থগিত


    বিস্তারিত

    সাঈদীর রিভিউ আজকের কার্যতালিকায়


    বিস্তারিত

    সুপ্রিম কোর্টে ছুটি শুরু, অবকাশকালীন বেঞ্চ গঠন


    বিস্তারিত

    মুফতি হান্নানের সঙ্গে দেখা করলেন চার স্বজন


    বিস্তারিত

    রাজন হত্যা: কামরুলসহ ৪ আসামির মৃত্যুদণ্ড বহাল


    বিস্তারিত

    প্রাণ ভিক্ষার আবেদন নাকচের কপি কারাগারে


    বিস্তারিত