ঢাকাআজ রবিবার ২৪শে সেপ্টেম্বর, ২০১৭ ইং ৯ই আশ্বিন, ১৪২৪ বঙ্গাব্দ৪ঠা মুহাররম, ১৪৩৯ হিজরীদুপুর ১২:৪৮

82 বার পড়া হয়েছে «

মহম্মদপুর উপজেলা শাখা সোনালী ব্যাংক থেকে পেনশনের টাকা উধাও।

মোঃ হাসিবুর রশীদ, মহম্মদপুর (মাগুরা) প্রতিনিধিঃ রেজাউর রহমান (৬৫) ও ইমারত হোসেন (৬৮)। একজন পানি উন্নয়ন বোর্ডের (পাউবো) অবসরপ্রাপ্ত অফিস সহকারি (পেনশন বই কোড ২৭০০) অন্যজন সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারি শিক্ষক (পেনশন বই কোড ২৪০০) । প্রতিমাসে এই দুইজন মাগুরার মহম্মদপুর উপজেলা সদরের সোনালী ব্যাংকের শাখা থেকে মাসিক পেনশন ভাতার টাকা উত্তলন করেন। মে মাসের ভাতা ও ঈদ বোনাসের টাকা তুলতে আসলে ব্যাংক কর্মকর্তা তাদের জানান আপনারা আগেই টাকা তুলে নিয়ে গেছেন। প্রকৃতপক্ষে এই দুই বৃদ্ধ আদৌ টাকা উত্তোলন করেননি।

অবসরপ্রাপ্ত এই ব্যক্তি ঈদের আগে শেষ স্বম্বল হারিয়ে বেকায়দায় পড়েছেন। টাকা ফিরে পেতে বিভিন্ন দফতরে দৌড়ঝাপ করেও কোন ফল পাচ্ছেন না।জানা গেছে, মহম্মদপুর উপজেলার মন্ডলগাতি গ্রামের বাসিন্দা রেজাউর রহমান ও শালধা গ্রামের বাসিন্দা ইমারত হোসেন ছয়-সাত বছর আগে চাকরি থেকে অবসর নেন। অবসরকালীন মাসিক পেনশনের বই উপজেলা হিসাব রক্ষণ কার্যালয় থেকে অনুমোদন করিয়ে ব্যাংক থেকে টাকা উত্তোলন করেন।

ক্ষতিগ্রস্ত দুইজনের অভিযোগ, ২৮ মে পেনশনের বই পাশ করানোর জন্য  হিসাবরক্ষণ অফিসের সহকারি মন্নু মিয়ার কাছে জমা দেন।  ৫ জুন পেনশন বই নিয়ে সোনালী ব্যাংকের অফিসার ইমদাদুল হকের কাছে জমা দেন। টাকা আনতে গেলে ইমদাদুল হক জানায় একদিন আগে ৪ জুন আপনাদের টাকা উত্তলন করা হয়েছে। অথচ তারা ওইদিন কেউ ব্যাংকেই আসেন নি। মে মাসের পেনশন  ও আসন্ন ঈদের উৎসবভাতা মিলে ১৫ হাজার করে দুইজনের প্রায় ৩০ হাজার টাকা পাওয়ার কথা ছিল। ১০-১২ কিলোমিটার দূরের গ্রাম থেকে প্রতিদিন উপজেলা সদরে হিসাব রক্ষণ ও ব্যাংকের কার্যালয়ে ধর্না দিয়েও কোন প্রতিকার পাচ্ছেন না। এ ঘটনায় রেজাউর রহমান মহম্মদপুর থানায় ৬ জুন সাধারণ ডায়রী করেছেন। পুলিশ বিয়য়টি তদন্ত করছে।সোনালী ব্যাংকের অফিসার ইমদাদুল হক বলেন, ‘হিসাব রক্ষণ অফিস থেকে পেনশনধারী নিজেই বই ব্যাংকে এনে টাকা তুলে বাড়ি নিয়ে যান।  আমি শুধু প্যানশন  নথিভূক্ত (এন্ট্রি) করি। টাকা দেওয়া হয় ক্যাশ থেকে।’ উপজেলা হিসাব রক্ষণ কর্মকর্তা স্বপন কুমার বিশ্বাস জানান, ‘তাদের অফিস থেকে বই পাশ করিয়ে পেনশন ধারিদের হাতে তুলে দেওয়া হয়। তারা ব্যাংক থেকে টাকা তুলে নেন।’

মহম্মদুপর সোনালী ব্যাংকের ব্যবস্থাপক মো. ওয়াজেদ আলী (পি.ও) জানান, ‘ব্যাংক থেকে পেনশনের মাসিক ভাতা তুলতে এখানে কোন স্বাক্ষরের ব্যবস্থা নেই। বইধারী আসলেই টাকা নিতে পারেন। তারপরও বিষয়টি আমরা খতিয়ে দেখছি।’মহম্মদপুর থানার ওসি মো. তরীকুল ইসলাম বলেন, ‘এ ঘটনায় একটি সাধারণ ডায়রি হয়েছে। তদন্ত চলছে।

নতুনখবর/সোআ

Comments

comments

পাঠকের কিছু জনপ্রিয় খবর

মাগুরা জেলার প্রথম ডিজিটাল উচ্চ বিদ্যালয়ের স্বীকৃতি পেল আদর্শ বালিকা


বিস্তারিত

মাগুরায় পরিবারের সকলকে অচেতন করে মালামাল ও অর্থ লুট


বিস্তারিত

মাগুরায় স্ত্রী-কন্যা হত্যার দায়ে স্বামীকে মৃত্যুদন্ড দিয়েছে আদালত


বিস্তারিত

মাগুরায় বিশ্ব জনসংখ্যা দিবস পালিত হয়েছে


বিস্তারিত

মৃত্যুর ১ মাস পর লাশ উত্তোলন


বিস্তারিত

মহম্মদপুরে প্রকাশ্য দিবালোকে দুর্ধর্ষ চুরি, হাতেনাতে ২ চোর আটক।


বিস্তারিত

মাগুরায় বিউটিফিকেশন এন্ড পার্লার ম্যানেজমেন্ট প্রশিক্ষণ শেষে সনদ বিতরণ


বিস্তারিত

মাগুরার মহম্মদপুরে যুবকের বস্তাবন্দী লাশ উদ্ধার, পুলিশের অভিযানে আটক ৭।


বিস্তারিত

পুলিশ বিপাকে পড়েছে ভারতীয় এক কিশোরীকে নিয়ে


বিস্তারিত

বাদাম চাষে সফল মহম্মদপুরের মধুমতী পাড়ের কৃষকরা।


বিস্তারিত

আশুতোষ স্যারের স্ত্রীর অকাল প্রয়াণে আমরা শোকাহত।


বিস্তারিত

মহম্মদপুরে রামসাগর খালের মৃত্যুঘণ্টা


বিস্তারিত

মহম্মদপুর উপজেলা শাখা সোনালী ব্যাংক থেকে পেনশনের টাকা উধাও।


বিস্তারিত

মহম্মদপুর উপজেলা ছাত্রদলের কার্যালয় এখন বাসের টিকেট কাউন্টার।


বিস্তারিত

কড়া রোদ আর দমকা হাওয়ায় ধুলা আচ্ছন্ন স্কুলের খোলা মাঠে চলছে ক্লাস


বিস্তারিত

মহম্মদপুরে শেখ হাসিনা সেতুর অধিগ্রহণ করা জমির ক্ষতিপূরণ না পেয়ে হতাশ স্থানীয়রা।


বিস্তারিত

মাগুরায় নিরাপদ কর্মস্থলের দাবীতে চিকিৎসকদের মানববন্ধন


বিস্তারিত

মাগুরায় বাজেটে ধোয়াবিহীন তামাকের কার্যকর কর বৃদ্ধি না করার প্রতিবাদে মানববন্ধন


বিস্তারিত