বাগাতিপাড়ায় পশু ডাক্তারের চিকিৎসায় রুমি দুচোখ হারাতে বসেছে Reviewed by Momizat on . মনজুরুল ইসলাম (নাটোর) প্রতিনিধি : নাটোরের বাগাতিপাড়ায় একজন পল্লী পশু চিকিৎসকের চিকিৎসায় দুচোখ হারাতে বসেছে রুমি (২৫) নামের এক গৃহবধূ। তিন দিন ধরে রাজশাহী মেডিক্ মনজুরুল ইসলাম (নাটোর) প্রতিনিধি : নাটোরের বাগাতিপাড়ায় একজন পল্লী পশু চিকিৎসকের চিকিৎসায় দুচোখ হারাতে বসেছে রুমি (২৫) নামের এক গৃহবধূ। তিন দিন ধরে রাজশাহী মেডিক্ Rating:
You Are Here: Home » জেলার খবর » নাটোর » বাগাতিপাড়ায় পশু ডাক্তারের চিকিৎসায় রুমি দুচোখ হারাতে বসেছে

বাগাতিপাড়ায় পশু ডাক্তারের চিকিৎসায় রুমি দুচোখ হারাতে বসেছে

মনজুরুল ইসলাম (নাটোর) প্রতিনিধি : নাটোরের বাগাতিপাড়ায় একজন পল্লী পশু চিকিৎসকের চিকিৎসায় দুচোখ হারাতে বসেছে রুমি (২৫) নামের এক গৃহবধূ। তিন দিন ধরে রাজশাহী মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন আছেন ওই গৃহবধূ। রুমি উপজেলার চকমাহাপুর গ্রামের ফরিদুলের স্ত্রী। ভুক্ত ভোগীর পরিবার সুত্রে জানা যায়, গত ৯ জুন সকালে রুমি বাড়ির আঙ্গীনায় কাজ করতে গিয়ে হাতে খেজুর কাঁটা ফোটে।  পরিবারে লোকজন ওই কাটাঁ নিজেরাই বের করে ফেলে। কিন্তু ওই দিন সন্ধ্যার দিকে রুমির শারিরিকভাবে দুর্বল হয়ে পড়লে পার্শ্ববর্তী পশু চিকিৎসক মিলনের কাছে পরামর্শ নিতে যান পরিবারের সদস্যরা। পরামর্শ না দিয়ে মিলন নিজেই চিকিৎসা দিবেন জানিয়ে রুমির বাড়িতে গিয়ে স্যালাইনসহ বিভিন্ন ঔষধ প্রয়োগ করেন। এরপর মিলন বাড়ি ফিরে যাওয়ার পর রাত ১০টার দিক থেকে গৃহবধূ রুমি দু চোখে কিছু দেখতে পাননা। এঘটনার পরদিন রুমিকে প্রথমে নাটোর আধুনিক সদর হাসপাতাল ও পরে রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হয়। এ ব্যাপারে পশু চিকিৎসক চকমহাপুর গ্রামের টুনিপাড়ার মজের আলীর ছেলে মিলন জানান, রোগী রুমির প্রেসার কম থাকায় ওইদিন তাকে ডিএনএ নামক স্যালাইন পুশ করেছেন। তবে কি কারনে চোখে দেখছেন না তা তিনি বলতে পারেননি। তবে একজন পশু চিকিৎসক হয়ে কিভাবে মানব দেহে চিকিৎসা করলেন জানতে চাইলে তিনি ক্ষিপ্ত হয়ে সাংবাদিকদের দেখে নেওয়ার হুমকি দেন।এদিকে পশু চিকিৎসক হয়েও মানব দেহে চিকিৎসা দেওয়ার ঘটনায় এলাকায় ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে।  যে কোন মহুর্তে ওই পশু ডাক্তারের বাড়িতে চড়াও হতে পারে বিক্ষুব্ধ এলাকাবাসী।

নতুনখবর/সোআ

Leave a Comment