কড়া রোদ আর দমকা হাওয়ায় ধুলা আচ্ছন্ন স্কুলের খোলা মাঠে চলছে ক্লাস Reviewed by Momizat on . মোঃ হাসিবুর রশীদ, মহম্মদপুর (মাগুরা) প্রতিনিধিঃ প্রায় বছরখানেক আগে পরিত্যাক্ত ঘোষণা করা হয়েছে ভবন । কারণ, খসে পড়েছে পলেস্তারা, ফাঁটল ধরেছে দেয়ালে। এমন একটা ভবনে মোঃ হাসিবুর রশীদ, মহম্মদপুর (মাগুরা) প্রতিনিধিঃ প্রায় বছরখানেক আগে পরিত্যাক্ত ঘোষণা করা হয়েছে ভবন । কারণ, খসে পড়েছে পলেস্তারা, ফাঁটল ধরেছে দেয়ালে। এমন একটা ভবনে Rating:
You Are Here: Home » আন্তর্জাতিক » Uncategorize » কড়া রোদ আর দমকা হাওয়ায় ধুলা আচ্ছন্ন স্কুলের খোলা মাঠে চলছে ক্লাস

কড়া রোদ আর দমকা হাওয়ায় ধুলা আচ্ছন্ন স্কুলের খোলা মাঠে চলছে ক্লাস

মোঃ হাসিবুর রশীদ, মহম্মদপুর (মাগুরা) প্রতিনিধিঃ প্রায় বছরখানেক আগে পরিত্যাক্ত ঘোষণা করা হয়েছে ভবন । কারণ, খসে পড়েছে পলেস্তারা, ফাঁটল ধরেছে দেয়ালে। এমন একটা ভবনের ভেতরে কি আর ক্লাস করা যায়? তাই কড়া রোদ আর দমকা হাওয়ায় ধুলা আচ্ছন্ন স্কুলের খোলা মাঠে আকাশের নিচে প্রতিদিন চলছে মহম্মদপুর উপজেলার কলমধারী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ক্লাস। আর তাই ঝড় আর বৃষ্টির কবল থেকে কোমলমতি শিক্ষার্থীদের রক্ষা করতে মেঘ ডাকলে একপ্রকার বাধ্য হয়েই স্কুলের ক্লাস ছুটি দিতে হয়। মেঘের ডাক এখানে যেন ছুটির ঘণ্টা বাজিয়ে যায়।

মাগুরা জেলার মহম্মদপুর উপজেলার কলমধারী গ্রামে এ প্রাথমিক বিদ্যালয়টিতে স্থাপন করা হয় বৃটিশ আমলে। ৭ জন শিক্ষক-শিক্ষিকা এখানে প্রায় আড়াইশ জন শিক্ষার্থীকে পাঠদান করেন। বিদ্যালয় পরিচালনা কমিটির সহযোগিতা, শিক্ষকদের স্বদিচ্ছা ও আন্তরিকতায় এখানের লেখা-পড়ার মান অনেক ভাল। প্রতিবছর সমাপনী পরীক্ষায় এ বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা অনেক ভাল ফলাফল করে। এ বছরও প্রাথমিক বৃত্তির মেধাতালিকায় স্থান করে নিয়েছে এই স্কুলের ৩ শিক্ষার্থী। কিস্তু বিদ্যালয়ের মূল ভবনটি পরিত্যাক্ত হওয়ায় এক বছরেরও বেশী সময় ধরে পাঠদান চলছে খোলা আকাশের নিচে। ৫ কক্ষ বিশিষ্ঠ বিদ্যালয়ের মুল ভবনটি নির্মিত হয় ১৯৬৫ সালে। মেয়াদ উর্ত্তীর্ণ হওয়ায় এবং সংস্কারের অভাবে ভবনটির ছাঁদের পলেস্তরা খঁসে পড়ায় এবং দেয়ালে ফাঁটল ধরায় এক বছর আগে তা পরিত্যাক্ত ঘোষণা করা হয়। এক বছরের বেশী সময় ধরে স্কুলের মুল ভবনটি পরিত্যাক্ত হলে তা সংস্কারে কর্তৃপক্ষ কেন আগ্রহ দেখাচ্ছেন না,এ নিয়ে অবিভাবক মহল ও এলাকাবাসির রয়েছে বিস্তর অভিযোগ। স্থানীয় বাসিন্দা সূত্রে জানা যায়, এক বছরের বেশী সময় ধরে ছেলে-মেয়েরা খোলা আকাশের নিচে বসেই ক্লাস করছে। বৃষ্টি এলেই নিরাপদে বাড়ি পৌঁছতে ছুটির ঘন্টা বাজে এখানে। বাতাস এলে স্কুলের মাঠটি ধুলাবালিতে ভরে যায়।বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মেহেদী হাসান বলেন, আমরা প্রতিকার চেয়ে চিঠির মাধ্যমে বারংবার কর্তৃপক্ষকে অবহিত করেছি। কিস্তু অদ্যবধি আমরা কোনো বরাদ্দ পাইনি।এদিকে মহম্মদপুর উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসের অতিরিক্ত দায়িত্বে থাকা মাগুরা জেলা সহকারি প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা কুমারেশ চন্দ্র গাছি ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে “দৈনিক পত্রদূত”কে বলেন, সেখানে দুই কক্ষ বিশিষ্ট আরেকটি ভবনে ক্লাস হচ্ছে। আমরা এবছর যে বরাদ্দ পেয়েছি তা থেকে কলমধারী স্কুলে ভবন নির্মাণ সম্ভব হবে না, কারণ অন্য আরো কয়েকটি স্কুলের পরিত্যাক্ত ভবন পূণঃনির্মাণ করতে হবে। আগামী অর্থবছরের একবারে শুরুর দিকে আমরা কলমধারী স্কুলে নতুন ভবন করে দিবো। তিনি আরো জানান, মহম্মদপুর উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসে খুব শিঘ্রই একজন নতুন কর্মকর্তা আসবেন।

নতুনখবর/সোআ

Leave a Comment