ছয়দফা দিবসে আ.লীগের কর্মসূচি Reviewed by Momizat on . নিজস্ব প্রতিবেদক : আগামীকাল ৭ জুন ঐতিহাসিক ছয়দফা দিবস। প্রতি বছরের মতো এবারো বিভিন্ন কর্মসূচির মধ্য দিয়ে আওয়ামী লীগ এই দিনটিকে যথাযোগ্য মর্যাদায় স্মরণ ও পালন কর নিজস্ব প্রতিবেদক : আগামীকাল ৭ জুন ঐতিহাসিক ছয়দফা দিবস। প্রতি বছরের মতো এবারো বিভিন্ন কর্মসূচির মধ্য দিয়ে আওয়ামী লীগ এই দিনটিকে যথাযোগ্য মর্যাদায় স্মরণ ও পালন কর Rating:
You Are Here: Home » রাজনীতি » ছয়দফা দিবসে আ.লীগের কর্মসূচি

ছয়দফা দিবসে আ.লীগের কর্মসূচি

নিজস্ব প্রতিবেদক : আগামীকাল ৭ জুন ঐতিহাসিক ছয়দফা দিবস। প্রতি বছরের মতো এবারো বিভিন্ন কর্মসূচির মধ্য দিয়ে আওয়ামী লীগ এই দিনটিকে যথাযোগ্য মর্যাদায় স্মরণ ও পালন করবে।

মঙ্গলবার আওয়ামী লীগের দপ্তর সম্পাদক আবদুস সোবহান গোলাপ স্বাক্ষরিত এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

আওয়ামী লীগের কর্মসূচির মধ্যে রয়েছে বুধবার সূর্য উদয় ক্ষণে বঙ্গবন্ধু ভবন, কেন্দ্রীয় কার্যালয় ও দেশব্যাপী দলীয় কার্যালয়ে জাতীয় ও দলীয় পতাকা উত্তোলন। সকাল সাড়ে আটটায় বঙ্গবন্ধু ভবনে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের প্রতিকৃতিতে শ্রদ্ধাঞ্জলি নিবেদন। এরপর দুপুর আড়াইটায় ঢাকা মহানগর উত্তর ও দক্ষিণ আওয়ামী লীগের উদ্যোগে ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউশন মিলনায়তনে আলোচনা করবে। এতে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকবেন সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের।

১৯৪০ সালে লাহোর প্রস্তাব পেশের মাধ্যমে যেমনি পাক ভারত উপমহাদেশের জনগণ ব্রিটিশ শোষকদের এদেশ থেকে তাড়ানোর জন্য ঐক্যমত হয়েছিল, ঠিক তেমনি বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ১৯৬৬ সালের এইদিনে ঘোষিত ছয়দফাকে তৎকালীন পূর্ববাংলার জনগণ পশ্চিমাদের এদেশ থেকে তাড়ানোর হাতিয়ার হিসেবে গ্রহণ করেছিল।

আইয়ুব খানের মার্শাল ল’ শাসন,’৬২-এর শিক্ষানীতিসহ সব অগণতান্ত্রিক সিদ্ধান্তের প্রতিবাদে এবং পূর্ব বাংলার জনগণের অধিকার প্রতিষ্ঠার লক্ষে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান আজকের এইদিনে ছয়দফা ঘোষণা করেন। পরবর্তী সময়ে এই ছয় দফার প্রতিটি দফা বাংলার আনাচে-কানাচে প্রত্যন্ত অঞ্চলে গিয়ে বাংলার জনগণের সামনে তুলে ধরেন। বাংলার সর্বস্তরের জনগণ এই ছয়দফা সম্পর্কে যখন সম্যক ধারণা অর্জন করলো এবং গ্রহণ করলো তখনই ছয়দফাকে বাঙালির মুক্তির সনদ হিসেবে আখ্যায়িত করা হলো।

আইয়ুব খানের পতন, ১৯৬৯ এর আগরতলা ষড়যন্ত্র মামলা থেকে বঙ্গবন্ধুসহ সব রাজবন্দির মুক্তি আন্দোলনের প্রধান দাবি ছিল এই ছয়দফা। ছয়দফা ভিত্তিক ১১-দফা ছিল উনসত্তরের গণ-অভ্যুত্থানের দাবিনামা।

১৯৭০-এর সাধারণ নির্বাচনে পূর্ব বাংলার জনগণ আওয়ামী লীগের মনোনীত প্রার্থীদের একচেটিয়া রায় প্রদান করে বাঙালির মুক্তির সনদ ছয়দফা বাস্তবায়নের লক্ষে। নিরঙ্কুশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা লাভ করার পরও পশ্চিম পাকিস্তানিরা যখন সরকার গঠনে নির্বাচিত প্রতিনিধিদের কাছে ক্ষমতা হস্তান্তরের জন্য গড়িমড়ি শুরু করলো তখনই মুক্তিযুদ্ধের ডাক দিলেন বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ঐতিহাসিক ৭ মার্চে রেসকোর্স ময়দানের (বর্তমান সোহরাওয়ার্দী উদ্যান) ভাষণের মাধ্যমে। ঐতিহাসিক ৭ মার্চের ভাষণেও ছয়দফার প্রতিটি দফার পর্যালোচনা ছিল।

নতুনখবর/সোআ

About The Author

Number of Entries : 2090

Leave a Comment

© 2011 Powered By Wordpress, Goodnews Theme By Momizat Team

Scroll to top