ঢাকাআজ শুক্রবার ২১শে জুলাই, ২০১৭ ইং ৬ই শ্রাবণ, ১৪২৪ বঙ্গাব্দ২৭শে শাওয়াল, ১৪৩৮ হিজরীসকাল ১০:৪৮

66 বার পড়া হয়েছে «

খোশ আমদেদ মাহে রমজান

নিজস্ব প্রতিবেদক : আজ পহেলা রমজান। গতকাল সূর্য অস্ত যাবার পর পরই নতুন চাঁদ উদিত হয়ে রমজান মাসের সূচনা করেছে। আরবী রমাদান শব্দের ফারসী উচ্চারণ রমজান। রমাদানের শব্দমূল রমদ যার অর্থ গ্রীষ্মের প্রচণ্ড উত্তাপ।

৬২২ খৃস্টাব্দের রবিউল আউয়াল মাসে প্রিয়নবী সাল্লাল্লাহু ‘আলায়হি ওয়া সাল্লাম মক্কা মুকাররমা থেকে প্রায় ২৯৬ মাইল উত্তরে অবস্থিত মদীনা মনওয়ারায় হিজরত করে আসেন।

এখানে এসে তিনি জানতে পারেন, এখানকার ইয়াহুদীরা মুহররমের দশ তারিখ আশুরার দিনে সিয়াম পালন করে। তারা জানায়, তাদের নবী হযরত মূসা (আ.) বনী ইসরাঈলের হাজার হাজার মানুষকে জালিম রাজা ফেরাউনের কারাগার থেকে উদ্ধার করে লোহিত সাগরের ওপারে যেদিন নিয়ে গিয়েছিলেন সেদিন ছিল আশুরা। তাই তিনি এদিন কৃতজ্ঞতা ও মুক্তির নিদর্শনস্বরূপ সিয়াম পালন করতেন।

তাঁকে অনুসরণ করে ইয়াহুদীরা আশুরায় সিয়াম পালন করে আসছে। প্রিয়নবী সাল্লাহু আলায়হি ওয়া সাল্লাম বলেছেন: মূসার উপর আমাদের অধিকার তোমাদের চেয়ে অনেক বেশি।

সেই বছর আশুরা এলে তিনি এবং তাঁর সাহাবিগণ আশারায় সিয়াম পালন করলেন এর প্রায় সাড়ে সাত মাস পরে ৬২৪ খৃস্টাব্দের ১৫ ফেব্রুয়ারি মুতাবিক দ্বিতীয় হিজরীর ১৫ শাবান তারিখে রমাদান মাসে সিয়াম পালনের জন্য নির্ধারণ করে দিয়ে ইরশাদ করেন: রমাদান মাস, যাতে নাজিল হয়েছে মানুষের দিশারী, সত্পথের স্পষ্ট নিদর্শন এবং সত্য ও অসত্যের মধ্যে পার্থক্যকারী পবিত্র আল-কুরআন।

সুতরাং তোমরা যারা এই মাস প্রত্যক্ষ করবে তারা এতে সিয়াম পালন করবে। (সূরা বাক্বারা: আয়াত ১৮৫)।

সিয়াম শব্দের শব্দমূল সওম যার অর্থ বিরত থাকা। দৃঢ়সংকল্প করে যাবতীয় কামাচার, পানাহার ও পাপাচার থেকে সুবিহ্ সাদিক থেকে সূর্যাস্ত পর্যন্ত বিরত থাকাটাই হচ্ছে সিয়াম। এই সিয়ামকে ফারসীতে বলা হয় রোজা।

আত্মশুদ্ধি, সহিষ্ণুতা, সহমর্মিতা ইত্যাদি গুণ অর্জনের প্রত্যক্ষ প্রশিক্ষণ লাভ হয় রমজানে সিয়াম পালনের মাধ্যমে। আমরা এই মুবারক মাসকে জানাই খোশ আমদেদ।

রমজান মাস অনেক ঐতিহাসিক গুরুত্বপূর্ণ ঘটনার স্মৃতি ধারণ করে রয়েছে। অধিকাংশ আসমানী কিতাব ও সহীফা নাজিল হয়েছিল রমজান মাসে। পহেলা রমজান হযরত ইব্রাহীমের নিকট নাজিল হয়েছিল সহীফা। হযরত ইব্রাহীম আলায়হিস্ সালাম মুসলিম জাতির জনক। তিনিই মক্কা নগরীর পত্তন করেন। তিনি আল্লাহ্র নির্দেশে কাবা শরীফ পুনঃনির্মাণ করেন এবং হজের ঘোষণা করেন।

প্রিয়নবী সাল্লাল্লাহু আলায়হি ওয়া সাল্লাম বলেছেন: রমাদানের প্রথম দশক রহমতের, দ্বিতীয় দশক মাগফিরাতের এবং শেষ দশক দোযখের আগুন থেকে নাজাতের।

নতুনখবর/সোআ

Comments

comments

পাঠকের কিছু জনপ্রিয় খবর

সাত সরকারি কলেজের শিক্ষার্থীদের বিক্ষোভে উত্তাল শাহবাগ


বিস্তারিত

‘ঢাকার মাস্টারপ্ল্যান আধুনিক করতে হবে’


বিস্তারিত

ঢাকায় দিনে যানজটে নষ্ট ৩২ লাখ কর্মঘণ্টা


বিস্তারিত

রাষ্ট্রপতি আজ ‘শিল্পকলা পদক’ প্রদান করবেন


বিস্তারিত

বিএসএমএমইউর দেয়াল ধসে নিহত ১, পুলিশ, নার্সসহ আহত ৪


বিস্তারিত

সাগর উত্তাল, ৩ নম্বর সতর্ক সংকেত


বিস্তারিত

র‍্যাবের সঙ্গে ‘বন্দুকযুদ্ধে’ নিহত ১


বিস্তারিত

১৮ লাখ মানুষ আক্রান্ত হতে পারে


বিস্তারিত

জঙ্গি সোহেলকে জিজ্ঞাসাবাদে ঢাকায় ভারতীয় তদন্ত সংস্থা


বিস্তারিত

ওষুধে এহন মশা মরে না’


বিস্তারিত

আইএস সমর্থক ইমরান এখন বাংলাদেশে!


বিস্তারিত

১৭৫০ থেকে ১৮০০ টাকা মণ দরে পাট কিনবে সরকার


বিস্তারিত

ভোটার তালিকায় রোহিঙ্গা ঠেকাতে ‘বিশেষ এলাকার’ পরিধি বাড়লো


বিস্তারিত

এতিমের টাকা মেরে খেয়ে এখন নির্বাচন করতে চায়


বিস্তারিত

আশু‌লিয়ায় জ‌ঙ্গিআস্তানায় ৪ জ‌নের আত্মসমর্পণ


বিস্তারিত

সাভারের চার ‘জঙ্গির’ পরিচয় জেনেছে র‌্যাব


বিস্তারিত

নিরাপত্তার নামে জনবিচ্ছিন্ন করবেন না: এসএসএফকে প্রধানমন্ত্রী


বিস্তারিত

সাভারে জঙ্গি আস্তানা সন্দেহে বাড়ি ঘেরাও


বিস্তারিত